০১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসি ক্ষমতা বৃদ্ধি, শাস্তি আরো কঠোর করা হলো

 

ভোটের স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ইসি শক্তিশালী

সরকার সম্প্রতি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ জারি করেছে, যা নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও স্বাধীনতা আরও দৃঢ় করেছে। গেজেট প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পদক্ষেপ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।

 

নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর শাস্তি

‘নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী, দায়িত্বে অবহেলা বা অসদাচরণের ক্ষেত্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে চাকরি থেকে অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর, পদবী হ্রাস বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা। এছাড়া এক বছরের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধানও রয়েছে।

 

ইসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের সঙ্গে ইসির মধ্যে যদি কোনো বিষয় নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়, তবে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা সহজ হবে এবং সম্ভাব্য অনিয়মের ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

 

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও নতুন সার্ভিস

‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ নামে একটি নতুন সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এতে কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেয়ে সচিব পদে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

 

ইসি কর্মকর্তাদের মতে, এই সংশোধনীগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। নির্বাচনী কার্যক্রমের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতেও এ পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ইসি ক্ষমতা বৃদ্ধি, শাস্তি আরো কঠোর করা হলো

পোষ্টের সময় : ১২:৪৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

 

ভোটের স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ইসি শক্তিশালী

সরকার সম্প্রতি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ জারি করেছে, যা নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও স্বাধীনতা আরও দৃঢ় করেছে। গেজেট প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পদক্ষেপ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।

 

নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর শাস্তি

‘নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী, দায়িত্বে অবহেলা বা অসদাচরণের ক্ষেত্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে চাকরি থেকে অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর, পদবী হ্রাস বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা। এছাড়া এক বছরের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধানও রয়েছে।

 

ইসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের সঙ্গে ইসির মধ্যে যদি কোনো বিষয় নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়, তবে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা সহজ হবে এবং সম্ভাব্য অনিয়মের ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

 

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও নতুন সার্ভিস

‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ নামে একটি নতুন সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এতে কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেয়ে সচিব পদে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

 

ইসি কর্মকর্তাদের মতে, এই সংশোধনীগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। নির্বাচনী কার্যক্রমের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতেও এ পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Share this news as a Photo Card