পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিনি কোনোভাবেই ব্যক্তিগতভাবে “সেফ এক্সিট” খুঁজছেন না। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদের নেতা নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, উপদেষ্টাদের কেউ কেউ নিরাপদভাবে সরে যাওয়ার পথ বা “সেফ এক্সিট” খুঁজছেন। এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজওয়ানা হাসান জানান, “আমি কোনো সেফ এক্সিটের খোঁজ করছি না, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি।” তিনি আরও বলেন, নাহিদ ইসলাম কেন এমন মন্তব্য করেছেন, তা তিনিই ভালো জানেন।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, সরকার ও উপদেষ্টা পরিষদ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে। এ অবস্থায় ‘সেফ এক্সিট’ প্রসঙ্গ তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা ঠিক নয়। রিজওয়ানা বলেন, “আমরা যারা ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারে বিশ্বাস করি, তারা কখনও দায়িত্ব এড়িয়ে পালানোর চিন্তা করতে পারি না।”
তিনি আরও জানান, চলমান গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া আইনি ও বিচারিক কাঠামোর মধ্যে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। দেশের জনগণ চায় অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত হোক— সেই প্রত্যাশা পূরণে সরকার ও উপদেষ্টারা একসঙ্গে কাজ করছেন। রিজওয়ানা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে বেশ কিছু মামলার রায় ঘোষণা সম্ভব হবে।
পরিবেশবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “যারা সত্যিকারের ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করে, তাদের জন্য সেফ এক্সিটের প্রশ্নই আসে না।” তিনি আরও যোগ করেন, “দেশের স্বার্থে দায়িত্ব পালনই আমাদের অঙ্গীকার।”
এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই রিজওয়ানার বক্তব্যকে সাহসী ও সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে কিছু মহল এটিকে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছে।
সবশেষে তিনি আহ্বান জানান, “গুজব নয়, কাজ দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জনই এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।”
স্টাফ রিপোর্টার 






















