টেকনাফ স্থলবন্দর এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতি মারাত্মক প্রভাবের মুখে পড়েছে। মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে চলমান সহিংসতার কারণে বন্দরটি কার্যত অচল হয়ে গেছে। এতে বাংলাদেশের টেকনাফ-মিয়ানমার স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম থমকে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও পরিবহন খাতের মানুষ এই পরিস্থিতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বন্দর বন্ধ থাকায় হাজারো মানুষ কাজ হারিয়েছেন, এবং অনেকে বেঁচে থাকার তাগিদে অবৈধ পথে জড়িয়ে পড়ছেন। আর্থিক চাপ সামলাতে না পারায় অনেক ব্যবসায়ী দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, বন্দরটি বন্ধ থাকায় শুধু ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, রাজস্ব হারিয়েছে সরকারও। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে বছরে কয়েকশ কোটি টাকার আমদানি-রপ্তানি হতো। তাই এই বন্দর বন্ধ থাকলে দেশের অর্থনীতিতেও বড় ধাক্কা পড়ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয়রা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের কাছে বন্দর দ্রুত চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বন্দরটি পুনরায় খোলা হলে হাজারো মানুষের জীবিকা ফিরে পাবে এবং সীমান্ত এলাকার বেকারত্ব ও অপরাধ প্রবণতা কমবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টেকনাফ স্থলবন্দর দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে সীমান্তবর্তী এলাকা আরও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের জন্য সরকারি পদক্ষেপ জরুরি। বিশেষ করে বন্দর পুনরায় চালু করা হলে অর্থনীতি পুনরায় সচল হবে এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 
























