রাজধানী ঢাকার আশুলিয়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পাইপলাইন স্থানান্তর কার্যক্রমের কারণে প্রায় ১৬ ঘণ্টা ভোগান্তিতে পড়তে পারেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, ১১ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত (মোট ১৬ ঘণ্টা) পাইপলাইন স্থানান্তর ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। এ সময় আশুলিয়া টিবিএস (Town Border Station) থেকে বাইপাইল পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
কোম্পানির বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই কার্যক্রমের ফলে আশুলিয়ার বাইপাইল, ঢাকা ইপিজেড, মালঞ্চ পাওয়ার প্ল্যান্ট, কাশিমপুর, সারদাগঞ্জ, হাজি মার্কেট, শ্রীপুর, চন্দ্রা, নবীনগর, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, কাঠগড়া, জিরাবো, গাজীরচট, নয়াপাড়া, দেওয়ান ইদ্রিস সড়ক, নয়ারহাট, বলিভদ্রপুর, পল্লীবিদ্যুৎ, ডেন্ডারবর, ভাদাইল, লতিফপুরসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়া পাইপলাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বন্ধের পূর্বে এবং পরে আশেপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যেতে পারে। তিতাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
এই দীর্ঘ সময়ের গ্যাস সংকটে সাধারণ ভোক্তা ছাড়াও হোটেল, রেস্তোরাঁ, শিল্পকারখানা ও আবাসিক এলাকায় বিপাকে পড়বে। গৃহিণীরা রান্নার জন্য বিকল্প ব্যবস্থার পরামর্শ পাচ্ছেন। অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের প্রস্তুতি নিয়েছে।
তিতাস গ্যাসের প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, পাইপলাইন স্থানান্তরের কাজটি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ। ভবিষ্যতে স্থিতিশীল গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজটি অত্যন্ত জরুরি।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত মাসে একই এলাকায় রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে কয়েক ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। পুনরায় এমন ঘোষণা পাওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা উদ্বেগে আছে, বিশেষ করে শুক্রবারের ছুটির দিনে দীর্ঘ সময় গ্যাস না থাকায় পারিবারিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্টাফ রিপোর্টার 




















