সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বাজারে শেয়ার লেনদেন কিছুটা কমেছে। সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার মধ্যে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকায়। এই সময়ে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৭ পয়েন্ট কমে ৫,২৩৭ পয়েন্টে নেমেছে। শরীয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএসও ১১ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১,১২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে, ডিএসই-৩০ সূচকও ২০ পয়েন্ট কমে ২,০১৩ পয়েন্টে নেমেছে।
মোট ৩৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট এই দুই ঘণ্টার মধ্যে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ২৫৯টির দর কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির শেয়ার, যার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এছাড়া বেশ কিছু বড় কোম্পানির শেয়ারও সক্রিয়ভাবে লেনদেন হয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই সময় বাজারের গতি কম ছিল। সিএএসপিআই সূচক ৯১ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১৪,৮৫৬ পয়েন্টে নেমেছে, আর সিএসসিএক্স সূচক ৫৪ পয়েন্ট কমে ৯,১৩৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এই সময়ে সিএসইতে মোট ৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টির দর বেড়েছে, ৬১টির দর কমেছে এবং ১১টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মুদ্রাস্ফীতি মূলত এই হ্রাসের পেছনের কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাবধানতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বাজারে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়াতে বেশিরভাগ সময় অপেক্ষা করছেন।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতি সাময়িক হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট কোম্পানির শেয়ার ধরে রাখার মাধ্যমে ভালো রিটার্ন অর্জনের সুযোগ পাবেন।
স্টাফ রিপোর্টার 
























