সকাল থেকেই জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত’ ব্যক্তিরা। তারা ‘জুলাই সনদ-২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অচলাবস্থা সৃষ্টি করতে এই কর্মসূচি শুরু করেন। বেলা ১১টার দিকে তারা মঞ্চের সামনের অতিথি চেয়ারে বসে অবস্থান নেন। পুলিশ তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তারা সরে যাননি।
গতকাল রাত থেকেই তারা জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন। আজ সকালে তারা সংসদ ভবনের ফটক পার হয়ে দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছান।
বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি হলো:
১. জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান।
২. তাদের সুরক্ষা এবং দায়মুক্তি নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
তারা জোর দিয়ে জানিয়েছেন, এই দুই বিষয় অবশ্যই ‘জুলাই সনদ’-এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, বিক্ষোভকারীদের সরে যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা সরে যাবেন না। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন। আলোচনার ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পাশাপাশি, স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য বিক্ষোভকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনুষ্ঠান চলাকালীন কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটতে না দেওয়া।
এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা চরম দৃঢ়তা দেখাচ্ছেন, যা আগামী দিনে রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে গুরুত্ব পেতে পারে। শহীদ পরিবার ও আহতরা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
স্টাফ রিপোর্টার 






















