দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ এখনও কমেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের মধ্যে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ২৫৯ জনে। একই সময়ে নতুন করে ৮০৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়াচ্ছে।
ঢাকা মহানগরীতে সর্বাধিক ২৮৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগে ৫১৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বরিশালে ১১২ জন, চট্টগ্রামে ৯৭ জন, খুলনায় ৪৯ জন, রাজশাহীতে ৩৭ জন, রংপুরে ১৭ জন, ময়মনসিংহে ৪৯ জন এবং সিলেটে ১০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট ৬০,২৬৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জনগণকে সতর্ক থাকতে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা, ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখা, মশারি ব্যবহার এবং অন্যান্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘরে ও আশপাশের পানির জমে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ স্থান নিয়মিত পরিস্কার করা, পুরনো টায়ার, ড্রাম বা গর্তে পানি জমতে না দেওয়া এবং ব্যক্তিগতভাবে মশার তেল বা স্প্রে ব্যবহার করা অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া, স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সময়মতো ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে একত্রে কাজ করতে হবে। সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন এবং জনগণকে একসাথে সচেতন হওয়া এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।
স্টাফ রিপোর্টার 






















