০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিআইবি’র সতর্কবার্তা: মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশে সংশোধনের দাবি

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫–এ এমন কিছু ধারা রয়েছে যা কমিশনকে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এবং বৈষম্যমূলক কমিশন গঠনের সুযোগ দেয়—এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

 

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “কমিশনের চেয়ারপারসনসহ সাত সদস্যের মধ্যে দুই সদস্যকে খণ্ডকালীন নিয়োগের বিধান বৈষম্যমূলক। সদস্যদের মর্যাদা, বেতন–ভাতা ও দায়িত্ব–কর্তব্য সমান করা জরুরি। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চেয়ারপারসন ও কমিশনার বাছাই, অভিযোগ অনুসন্ধান, আইন পর্যালোচনা এবং আয়–ব্যয়ের অডিট প্রকাশের সুপারিশগুলোও অগ্রাহ্য হয়েছে।”

 

তিনি আরও বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধান বাধ্যতামূলক না হওয়ায় কমিশনের কাজ দীর্ঘসূত্রী হবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীর প্রেষণ ও কমিশনের দ্বিমত থাকলে প্রত্যাখ্যানের সুযোগ সংক্রান্ত সুপারিশও রাখা হয়নি।

 

তবে খসড়া অধ্যাদেশের মধ্যে কিছু সুপারিশ অনুমোদিত হওয়ায় টিআইবি তা সন্তোষজনক মনে করেছে। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, অধ্যাদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধন ছাড়া মানবাধিকার সংরক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক ২

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

টিআইবি’র সতর্কবার্তা: মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশে সংশোধনের দাবি

পোষ্টের সময় : ০৯:২৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫–এ এমন কিছু ধারা রয়েছে যা কমিশনকে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এবং বৈষম্যমূলক কমিশন গঠনের সুযোগ দেয়—এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

 

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “কমিশনের চেয়ারপারসনসহ সাত সদস্যের মধ্যে দুই সদস্যকে খণ্ডকালীন নিয়োগের বিধান বৈষম্যমূলক। সদস্যদের মর্যাদা, বেতন–ভাতা ও দায়িত্ব–কর্তব্য সমান করা জরুরি। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চেয়ারপারসন ও কমিশনার বাছাই, অভিযোগ অনুসন্ধান, আইন পর্যালোচনা এবং আয়–ব্যয়ের অডিট প্রকাশের সুপারিশগুলোও অগ্রাহ্য হয়েছে।”

 

তিনি আরও বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধান বাধ্যতামূলক না হওয়ায় কমিশনের কাজ দীর্ঘসূত্রী হবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীর প্রেষণ ও কমিশনের দ্বিমত থাকলে প্রত্যাখ্যানের সুযোগ সংক্রান্ত সুপারিশও রাখা হয়নি।

 

তবে খসড়া অধ্যাদেশের মধ্যে কিছু সুপারিশ অনুমোদিত হওয়ায় টিআইবি তা সন্তোষজনক মনে করেছে। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, অধ্যাদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধন ছাড়া মানবাধিকার সংরক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

 

Share this news as a Photo Card