জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদু্লাহ আল-মামুনকে আজ সকালে কড়া নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। মামুনকে প্রিজনভ্যানে করে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে হাজির করা হয় এবং এটিই তার শেষ উপস্থিতি বলে জানায় পুলিশ।
এ মামলার অন্য দুই আসামি—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল—এখনো পলাতক। তাদের অনুপস্থিতিতেই আজ বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করবে। তিন সদস্যের বেঞ্চের নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমदार।
ট্রাইব্যুনাল এলাকাজুড়ে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে; তৎপর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও। দোয়েল চত্বর থেকে শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে রবিবার রাত থেকেই।
৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষ হয় ২৮ কার্যদিবসে। এরপর ৯ কার্যদিন ধরে চলে প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্সের যুক্তিতর্ক। প্রসিকিউশন শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ দণ্ড দাবি করেছে, আর রাজসাক্ষী মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপরই ছেড়ে দিয়েছে।
মামলায় পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে—উসকানি, অস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুল হত্যাকাণ্ড এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো। তদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষ্য, প্রমাণসহ মামলার নথি মোট ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠা।
স্টাফ রিপোর্টার 





















