চলতি সপ্তাহে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন এই ঘোষণা জাতির উদ্দেশে আগামী বৃহস্পতিবার দিতে পারেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কমিশনের সদস্যদের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে।
গত রোববার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে সিইসি কমিশনকে নির্বাচনী প্রস্তুতির বিষয়ে তথ্য প্রদান করেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দশম কমিশন বৈঠকে ভোট গ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ভোটকক্ষের ‘গোপনকক্ষ’ সংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনবোধে অতিরিক্ত ভোটকক্ষ স্থাপন করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তার পদে বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে না। তবে তারা প্রশিক্ষণসহ রিজার্ভ প্যানেলে থাকবেন এবং বিশেষ প্রয়োজনে কাজে লাগানো হবে। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
আগের রাতে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স সহ সব নির্বাচনী সামগ্রী কেন্দ্রে পাঠানো হবে। প্রবাসী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট আজ থেকে ছাপা শুরু হবে এবং মঙ্গলবার থেকে বিভিন্ন দেশে পাঠানো হবে। প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধন শেষ হবে ২৫ ডিসেম্বরের পর।
ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে এবং ভোটকেন্দ্রের আশপাশে যানবাহন চলাচলে সীমাবদ্ধতা থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন ও মনিটরিং সেলের মাধ্যমে নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং ভোটের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে এবং নির্বাচনী প্রচারণার সব উপকরণ নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 





















