০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৮ দিনেও নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মিলেনি, গ্রামবাসীর মানববন্ধন

 

নেত্রকোনার মদনে ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও নিখোঁজ শিশু আরফান ইসলাম আরিয়ানের (৫) সন্ধান মিলেনি। এ নিয়ে রোববার গ্রামবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শিশু আরফান ইসলাম আরিয়ানের সন্ধান না পেয়ে শিশুটির পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। মদন উপজেলায় কাওয়াল্লী বিন্নী গ্রামে নানা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আরিয়ান।

 

নিখোঁজ শিশুটি কেন্দুয়া পৌর সদরের ছকিদারা গ্রামের সানাউল্লাহ মিয়ার একমাত্র ছেলে।

 

শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আরফান ইসলাম আরিয়ানের মা আয়েশা আক্তার চাকুরির সুবাদে চট্টগ্রামে বসবাস করেন। (২৫ ফেব্রুয়ারী) বুধবার নানা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মিলেনি। পরিবারটির পক্ষ থেকে তার নানা বুলবুল ২৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার মদন থানায় একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়রী করে। এমনকি ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দলও মগড়া নদীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজা খুঁজি করলেও কোথাও কোন সন্ধান পায়নি। তবে পরিবারটির দাবি শিশু আরিয়ানকে অপহরণ করা হয়েছে। গ্রামে জমি সংক্রান্ত ঝামেলা চলছে তাদেরকে দোষারোপ করছে আরিয়ানের পরিবার। এদিকে আরিয়ান নিখোঁজের পর থেকেই পাশের বাড়ির ৭/৮টি পরিবার বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। এমনকি কয়েকটি ঘরের গরু ছাগল সড়িয়েও নিয়েছে তারা। শিশু নিখোঁজের সাথে জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহ জনকভাবে পাশের বাড়ির কয়েকজনকে আসামী করে একটি মামলা করতে গেলে পুলিশ অজ্ঞাত করনে মামলা নিচ্ছে না। এমন কি পাশের বাড়ির গরু, মেশিনসহ আসবাবপত্র সড়াতে সহযোগিতা করছে পুলিশ এমন অভিযোগ তুলেছেন নিখোঁজ শিশুটির পরিবার। শিশুটির পরিবারের দাবি আমার ছেলে যদি পানিতে পড়ে মারা যেত তাহলে পানিতে ভেসে উঠত। সুতরাং আমার গ্রামের লোকজনেই আমার ছেলেকে অপহরণ করেছে না হয় গরু, বাহুর, আসবাবপত্র বাড়ি থেকে সড়াল কেন।ছেলে যদি পানিতে পড়ে মারা যেত তাহলে পানিতে ভেসে উঠত। সুতরাং আমার গ্রামের লোকজনেই আমার ছেলেকে অপহরণ করেছে না হয় গরু, বাছুর, আসবাবপত্র বাড়ি থেকে সড়াল কেন।

 

অবশেষে নিরুপায় করে পরিবারটি ও এলাকাবাসী রোববার একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে।

 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিখোঁজ শিশুটির মা মা আয়েশা আক্তার, নানী শিখা আক্তার, উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য নাজমূল হক, উপজেলা বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, সাবেক ছাত্র নেতা জিয়াউর রহমান প্রমূখ।

 

মানববন্ধনে মা আয়েশা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলেকে আমি জীবিত উদ্ধার চাই। দরিবিন্নী গ্রামের এরশাদ তাদের সহযোগিতা করতেছে, আমরা যাদের সন্দেহ করেছি তাদেরকে এরশাদ আশ্রয় দিয়েছে। এরশাদ এতদিন বলে আসছে তোমার ছেলেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বের করারঅবশেষে নিরুপায় করে পরিবারটি ও এলাকাবাসী রোববার একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে।

 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিখোঁজ শিশুটির মা মা আয়েশা আক্তার, নানী শিখা আক্তার, উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য নাজমূল হক, উপজেলা বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, সাবেক ছাত্র নেতা জিয়াউর রহমান প্রমূখ।

 

মানববন্ধনে মা আয়েশা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলেকে আমি জীবিত উদ্ধার চাই।

 

দরিবিন্নী গ্রামের এরশাদ তাদের সহযোগিতা করতেছে, আমরা যাদের সন্দেহ করেছি তাদেরকে এরশাদ আশ্রয় দিয়েছে। এরশাদ এতদিন বলে আসছে তোমার ছেলেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বের করারচেষ্টা করছি। তোমরা কোন মামলা করিও না। এখন এরশাদ কোন যোগাযোগ করে না। এমনকি আমাদের ফোনও রিসিভ করে না। আমার ছেলে অপহরণে মানিক ও বাবুলের পরিবার জড়িত।

 

এ নিয়ে এরশাদ বলেন, আমি শুরু থেকেই তাদেরকে সহযোগিতা করে আসছি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলও আমি এখানে নিয়ে আসি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাদের গ্রামের বাড়িতে আসলে আমাকে এস আই গোলাম রাসুল তাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বলে। আমি শুধু অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সামনে বলেছি। ওই শিশুটিকে যেন আপনারা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুঁজে বের করে দেন। আমি এ ঘটনার সাথে আমি কোনভাবেই জড়িত নাই। ওহেতুক আমাকে দোষারুপ করা হচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

১৮ দিনেও নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মিলেনি, গ্রামবাসীর মানববন্ধন

পোষ্টের সময় : ০৭:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

 

নেত্রকোনার মদনে ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও নিখোঁজ শিশু আরফান ইসলাম আরিয়ানের (৫) সন্ধান মিলেনি। এ নিয়ে রোববার গ্রামবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শিশু আরফান ইসলাম আরিয়ানের সন্ধান না পেয়ে শিশুটির পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। মদন উপজেলায় কাওয়াল্লী বিন্নী গ্রামে নানা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আরিয়ান।

 

নিখোঁজ শিশুটি কেন্দুয়া পৌর সদরের ছকিদারা গ্রামের সানাউল্লাহ মিয়ার একমাত্র ছেলে।

 

শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আরফান ইসলাম আরিয়ানের মা আয়েশা আক্তার চাকুরির সুবাদে চট্টগ্রামে বসবাস করেন। (২৫ ফেব্রুয়ারী) বুধবার নানা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মিলেনি। পরিবারটির পক্ষ থেকে তার নানা বুলবুল ২৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার মদন থানায় একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়রী করে। এমনকি ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দলও মগড়া নদীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজা খুঁজি করলেও কোথাও কোন সন্ধান পায়নি। তবে পরিবারটির দাবি শিশু আরিয়ানকে অপহরণ করা হয়েছে। গ্রামে জমি সংক্রান্ত ঝামেলা চলছে তাদেরকে দোষারোপ করছে আরিয়ানের পরিবার। এদিকে আরিয়ান নিখোঁজের পর থেকেই পাশের বাড়ির ৭/৮টি পরিবার বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। এমনকি কয়েকটি ঘরের গরু ছাগল সড়িয়েও নিয়েছে তারা। শিশু নিখোঁজের সাথে জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহ জনকভাবে পাশের বাড়ির কয়েকজনকে আসামী করে একটি মামলা করতে গেলে পুলিশ অজ্ঞাত করনে মামলা নিচ্ছে না। এমন কি পাশের বাড়ির গরু, মেশিনসহ আসবাবপত্র সড়াতে সহযোগিতা করছে পুলিশ এমন অভিযোগ তুলেছেন নিখোঁজ শিশুটির পরিবার। শিশুটির পরিবারের দাবি আমার ছেলে যদি পানিতে পড়ে মারা যেত তাহলে পানিতে ভেসে উঠত। সুতরাং আমার গ্রামের লোকজনেই আমার ছেলেকে অপহরণ করেছে না হয় গরু, বাহুর, আসবাবপত্র বাড়ি থেকে সড়াল কেন।ছেলে যদি পানিতে পড়ে মারা যেত তাহলে পানিতে ভেসে উঠত। সুতরাং আমার গ্রামের লোকজনেই আমার ছেলেকে অপহরণ করেছে না হয় গরু, বাছুর, আসবাবপত্র বাড়ি থেকে সড়াল কেন।

 

অবশেষে নিরুপায় করে পরিবারটি ও এলাকাবাসী রোববার একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে।

 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিখোঁজ শিশুটির মা মা আয়েশা আক্তার, নানী শিখা আক্তার, উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য নাজমূল হক, উপজেলা বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, সাবেক ছাত্র নেতা জিয়াউর রহমান প্রমূখ।

 

মানববন্ধনে মা আয়েশা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলেকে আমি জীবিত উদ্ধার চাই। দরিবিন্নী গ্রামের এরশাদ তাদের সহযোগিতা করতেছে, আমরা যাদের সন্দেহ করেছি তাদেরকে এরশাদ আশ্রয় দিয়েছে। এরশাদ এতদিন বলে আসছে তোমার ছেলেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বের করারঅবশেষে নিরুপায় করে পরিবারটি ও এলাকাবাসী রোববার একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে।

 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিখোঁজ শিশুটির মা মা আয়েশা আক্তার, নানী শিখা আক্তার, উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য নাজমূল হক, উপজেলা বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, সাবেক ছাত্র নেতা জিয়াউর রহমান প্রমূখ।

 

মানববন্ধনে মা আয়েশা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলেকে আমি জীবিত উদ্ধার চাই।

 

দরিবিন্নী গ্রামের এরশাদ তাদের সহযোগিতা করতেছে, আমরা যাদের সন্দেহ করেছি তাদেরকে এরশাদ আশ্রয় দিয়েছে। এরশাদ এতদিন বলে আসছে তোমার ছেলেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বের করারচেষ্টা করছি। তোমরা কোন মামলা করিও না। এখন এরশাদ কোন যোগাযোগ করে না। এমনকি আমাদের ফোনও রিসিভ করে না। আমার ছেলে অপহরণে মানিক ও বাবুলের পরিবার জড়িত।

 

এ নিয়ে এরশাদ বলেন, আমি শুরু থেকেই তাদেরকে সহযোগিতা করে আসছি। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলও আমি এখানে নিয়ে আসি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাদের গ্রামের বাড়িতে আসলে আমাকে এস আই গোলাম রাসুল তাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বলে। আমি শুধু অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সামনে বলেছি। ওই শিশুটিকে যেন আপনারা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুঁজে বের করে দেন। আমি এ ঘটনার সাথে আমি কোনভাবেই জড়িত নাই। ওহেতুক আমাকে দোষারুপ করা হচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card