০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেষ হলো বাকৃবি সোহরাওয়ার্দী হলের ‘ক্রিমসন হাইস্ট’ ফিস্ট

 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ৫৮তম ব্যাচের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী হল ফিস্ট ‘ক্রিমসন হাইস্ট’ সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৮ থেকে ২০ জুন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই উৎসব উদযাপিত হয়। এতে হলের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

 

আয়োজনের প্রথম দিন (বৃহস্পতিবার) বিকেলে হল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কে আর মার্কেট প্রদক্ষিণ করে পুনরায় হলে এসে শেষ হয়। এরপর সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনানুষ্ঠানিক আড্ডা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

দ্বিতীয় দিন (শুক্রবার) সকালে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাড ও কে আর মার্কেট এলাকায় ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন রাতে হলের প্রভোস্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে কেক কেটে ফিস্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে গ্র্যান্ড ডিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

 

উৎসবের শেষ দিন (শনিবার) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন চত্বরে ‘কালার ফিস্ট’ এবং হলের সুইমিংপুলে ‘পুল পার্টি’র আয়োজন করা হয়। বিকেলে ছিল উন্মুক্ত চা-স্টল। রাতে ৫৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সম্মানে সিনিয়রদের পক্ষ থেকে নৈশভোজ, র‍্যাফেল ড্র এবং সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই ফিস্টের সমাপ্তি ঘটে।

 

হলের সিনিয়র শিক্ষার্থী ও বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজু বলেন, ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ফিস্ট দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহ্য। এ আয়োজন সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে মেলবন্ধন, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি এবং হলের সাংস্কৃতিক চর্চাকে উৎসাহিত করে।’

 

আয়োজক শিক্ষার্থী মো. বিদ্রোহী সরকার বলেন, ‘এই হল ফিস্ট আমাদের জন্য স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা। বন্ধুদের পাশাপাশি বড় ভাইদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে, যা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।’

 

আরেক শিক্ষার্থী আহসান কবির সিফাত বলেন, ‘বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বড় ভাইদের সান্নিধ্যে এসে অনেক ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হয়েছে।’

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

সংগীত উৎসবে মদ নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স

অনৈতিকতার বিরুদ্ধে সামাজিক যুদ্ধ শুরুর আহবান প্রিন্সের

20 June 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেষ হলো বাকৃবি সোহরাওয়ার্দী হলের ‘ক্রিমসন হাইস্ট’ ফিস্ট

পোষ্টের সময় : ১১:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ৫৮তম ব্যাচের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী হল ফিস্ট ‘ক্রিমসন হাইস্ট’ সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৮ থেকে ২০ জুন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই উৎসব উদযাপিত হয়। এতে হলের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

 

আয়োজনের প্রথম দিন (বৃহস্পতিবার) বিকেলে হল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কে আর মার্কেট প্রদক্ষিণ করে পুনরায় হলে এসে শেষ হয়। এরপর সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনানুষ্ঠানিক আড্ডা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

দ্বিতীয় দিন (শুক্রবার) সকালে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাড ও কে আর মার্কেট এলাকায় ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন রাতে হলের প্রভোস্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে কেক কেটে ফিস্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে গ্র্যান্ড ডিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

 

উৎসবের শেষ দিন (শনিবার) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন চত্বরে ‘কালার ফিস্ট’ এবং হলের সুইমিংপুলে ‘পুল পার্টি’র আয়োজন করা হয়। বিকেলে ছিল উন্মুক্ত চা-স্টল। রাতে ৫৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সম্মানে সিনিয়রদের পক্ষ থেকে নৈশভোজ, র‍্যাফেল ড্র এবং সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই ফিস্টের সমাপ্তি ঘটে।

 

হলের সিনিয়র শিক্ষার্থী ও বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজু বলেন, ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ফিস্ট দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহ্য। এ আয়োজন সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে মেলবন্ধন, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি এবং হলের সাংস্কৃতিক চর্চাকে উৎসাহিত করে।’

 

আয়োজক শিক্ষার্থী মো. বিদ্রোহী সরকার বলেন, ‘এই হল ফিস্ট আমাদের জন্য স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা। বন্ধুদের পাশাপাশি বড় ভাইদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে, যা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।’

 

আরেক শিক্ষার্থী আহসান কবির সিফাত বলেন, ‘বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বড় ভাইদের সান্নিধ্যে এসে অনেক ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হয়েছে।’

 

Share this news as a Photo Card