ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মুল ব্যানারে ছিল না না শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি। এ নিয়ে দেখা দিয়েছে সমালোচনা।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। তবে, জেলা প্রশাসন বলছে, কোন নির্দেশনা না থাকায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি দেয়া হয়নি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মুল ব্যানারে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি ছিল না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমন্ত্রিত অতিথি, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এই দায়সারা কাজে যে বা যারাই জড়িত- তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি
এবিষয়ে জানতে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে, ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান বলেন, সামনের এক্স ব্যানারে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি ছিল। তবে, পিছনের মুল ব্যানারে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি ছিল না।
কেন ছিল না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোন নির্দেশনা না থাকায় মুল ব্যানারে কারোর ছবি দেয়া হয়নি বলে লাইন কেটে দেন তিনি।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহী-জনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত স্মারক এবং ভূতপূর্ব সরকারি ছুটির দিন। কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দীদশা থেকে মুক্তি পান, এবং পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ই নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 



















