নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় ছেলের জন্য পাত্রী দেখে বাড়ি ফেরার পথে কাভার্ডভ্যান ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে স্বামী ও স্ত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের মেয়ে।
শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ-জারিয়া সড়কের ফাজিলপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের সুছাওরা গ্রামের বাসিন্দা অটোরিকশা চালক মো. নিজাম উদ্দিন (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী রোকেয়া খাতুন (৪৫)। তাঁদের মেয়ে লিজা গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিজাম উদ্দিন সেদিন ছেলের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে শ্যামগঞ্জের একটি গ্রামে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী রোকেয়া ও কন্যা লিজা। পাত্রী দেখা শেষে নিজাম নিজেই অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ফাজিলপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী প্রাণ কোম্পানির একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই নিজাম উদ্দিন ও রোকেয়া খাতুন নিহত হন। গুরুতর আহত হন তাঁদের মেয়ে লিজা।
খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং আহত লিজাকে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ট্রাকটিকে আটক করে। পুলিশ ট্রাকচালক ও হেলপারকে হেফাজতে নেয়।
আটক ট্রাকচালকের নাম মো. রাসেল (৩০)। তিনি খুলনার বাগেরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম ঘাহেরা গ্রামের বাসিন্দা। হেলপার মেহেদী হাসান (২২) ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মোজাটি গ্রামের বাসিন্দা।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, ঘটনার পরপরই ট্রাক, চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





















