০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপরাধ স্বীকারের পর তিরস্কারই দায়মুক্তি

নেত্রকোনার মদন উপজেলা ভূমি অফিসের ক্রেডিট চেকিং কাম-সায়রাত সহকারী সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিভাগীয় লঘুদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদন্ড দেওয়া হয়। তবে দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদরে কর্মরত থাকাকালীন অসম্পূর্ণ আমানতনামা সরবরাহের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী মামলা হয়। ব্যক্তিগত শুনানিতে সাজ্জাদ হোসেন নিজের অপরাধ স্বীকার করায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

এই বিষয়ে দন্ডপ্রাপ্ত কর্মচারীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো ভিডিও করতে থাকেন।

মদন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলীন নাহার জানান, লঘুদন্ড প্রদানের মাধ্যমে তার বিভাগীয় মামলাটি নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ওই কর্মচারীর অপেশাদার আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তাকে সতর্ক করার আশ্বাস দেন।

তবে এ ঘটনায় স্থানীয়দের মনে প্রশ্ন তুলেছে অপরাধ স্বীকার করেও শুধু ‘তিরস্কার’ দিয়ে কি সত্যিই দায়মুক্তি সম্ভব ?

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

অপরাধ স্বীকারের পর তিরস্কারই দায়মুক্তি

পোষ্টের সময় : ০৭:৩১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলা ভূমি অফিসের ক্রেডিট চেকিং কাম-সায়রাত সহকারী সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিভাগীয় লঘুদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদন্ড দেওয়া হয়। তবে দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদরে কর্মরত থাকাকালীন অসম্পূর্ণ আমানতনামা সরবরাহের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী মামলা হয়। ব্যক্তিগত শুনানিতে সাজ্জাদ হোসেন নিজের অপরাধ স্বীকার করায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

এই বিষয়ে দন্ডপ্রাপ্ত কর্মচারীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো ভিডিও করতে থাকেন।

মদন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলীন নাহার জানান, লঘুদন্ড প্রদানের মাধ্যমে তার বিভাগীয় মামলাটি নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ওই কর্মচারীর অপেশাদার আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তাকে সতর্ক করার আশ্বাস দেন।

তবে এ ঘটনায় স্থানীয়দের মনে প্রশ্ন তুলেছে অপরাধ স্বীকার করেও শুধু ‘তিরস্কার’ দিয়ে কি সত্যিই দায়মুক্তি সম্ভব ?

 

Share this news as a Photo Card