০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিটিবির আশ্বাস: সময়মতো বই সরবরাহ

 

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত নতুন পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানোর লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি ধাপেই কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বোর্ডটি সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালাচ্ছে।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামান জানান, নিজেদের তদারকির পাশাপাশি পিডিআই নামে একটি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মনিটরিং টিম প্রতিদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে মালিকরা বই মুদ্রণে কিছু কাঠামোগত সমস্যার কথা জানিয়ে দ্রুত সমাধানের অনুরোধ করেন। তাদের দাবি, সমস্যা দূর হলে মুদ্রণ ও বাঁধাই কাজ আরও সহজ ও দ্রুততা পাবে, ফলে নির্ধারিত সময়ে বই সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যেই ১৮ নভেম্বর শিক্ষা উপদেষ্টা বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারের বেশি কর্মকর্তার সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করেন। সভায় বই গ্রহণ, সংরক্ষণ, নিরাপত্তা ও বিতরণের বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এনসিটিবি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় আলোচনার ভিত্তিতে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা জোরদার, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বই গ্রহণের ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত জায়গার প্রয়োজনীয়তাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

 

এনসিটিবি আশাবাদী যে এসব উদ্যোগের ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সারাদেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন ও মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

হালুয়াঘাটে ইয়াবাসহ আটক ২

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

এনসিটিবির আশ্বাস: সময়মতো বই সরবরাহ

পোষ্টের সময় : ০৯:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

 

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত নতুন পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানোর লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি ধাপেই কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বোর্ডটি সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালাচ্ছে।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামান জানান, নিজেদের তদারকির পাশাপাশি পিডিআই নামে একটি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মনিটরিং টিম প্রতিদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে মালিকরা বই মুদ্রণে কিছু কাঠামোগত সমস্যার কথা জানিয়ে দ্রুত সমাধানের অনুরোধ করেন। তাদের দাবি, সমস্যা দূর হলে মুদ্রণ ও বাঁধাই কাজ আরও সহজ ও দ্রুততা পাবে, ফলে নির্ধারিত সময়ে বই সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যেই ১৮ নভেম্বর শিক্ষা উপদেষ্টা বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারের বেশি কর্মকর্তার সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করেন। সভায় বই গ্রহণ, সংরক্ষণ, নিরাপত্তা ও বিতরণের বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এনসিটিবি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় আলোচনার ভিত্তিতে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা জোরদার, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বই গ্রহণের ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তক সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত জায়গার প্রয়োজনীয়তাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

 

এনসিটিবি আশাবাদী যে এসব উদ্যোগের ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সারাদেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন ও মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

 

Share this news as a Photo Card