স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর প্রার্থীদের মেধা, বুদ্ধিমত্তা এবং মানবিক গুণাবলীর উপর জোর দিয়ে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে। অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জানান, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রার্থীদের শুধুমাত্র মুখস্থ বিদ্যা নয়, বরং বিশ্লেষণী ক্ষমতা, চিন্তাশীলতা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও মূল্যায়ন করা হবে।
বর্তমান সিঙ্গেল বেস্ট এমসিকিউ পদ্ধতি মূলত মুখস্থ জ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। নতুন পরিবর্তন প্রবর্তনের ফলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রার্থীদের মেধা, মননশীলতা এবং নৈতিক গুণাবলী যাচাই করা সম্ভব হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে এই পরিবর্তন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরিবর্তনের প্রাথমিক পর্যায়ে মোট নম্বরের ১০-২০ শতাংশ প্রশ্নে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে পুরোপুরি নতুন পদ্ধতি চালু করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
প্রশ্ন ফাঁস রোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। প্রশ্নপত্র কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে তৈরি এবং সারা দেশে নিরাপদে বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে। গত বছরও প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়িয়েছিল, তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছিল। এ বছরও একইভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, “চিকিৎসক পেশায় শুধুমাত্র শিখন নয়, মানবিক গুণাবলীর বিকাশও গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্ভাব্য সেরা প্রার্থীদের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।”
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় নতুন পদ্ধতি প্রবর্তনের ফলে বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং দক্ষ, মানবিক ও জ্ঞানসমৃদ্ধ চিকিৎসক তৈরি সম্ভব হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 





















