১০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কামরাঙ্গীরচরে রকির হত্যাকাণ্ড: পুলিশে সন্দেহ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্টের সময় : ০৯:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৩৩ ভিউ :

 

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে পুলিশের সোর্স হিসেবে সন্দেহজনক তথ্য থাকার কারণে শাহাদাত ইসলাম রকি (২৭) নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নিহত রকির বড় ভাই রবিন জানান, মঙ্গলবার ভোরে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসে দেখেন তার ভাই মারা গেছেন। রকির পায়ে বেধড়ক কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

 

রকির বড় ভাই আরও জানান, তার ভাই পূর্বে নেশার সমস্যায় জড়িত ছিল এবং কয়েকবার জেলও কেটেছে। ভোর রাতে দানেশ নামের একজন তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে। পরে দানেশকেও ছুরিকাঘাত করা হয় এবং পুলিশ তাকে আটক করে। রকি বিভিন্ন দোকানে চাকরি করতেন, তবে পেটের ব্যথার কারণে কিছুদিন ধরে কাজ করছিলেন না। রকির পরিবার জানায়, রকি অবিবাহিত ছিলেন এবং পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন।

 

নিহতের মামা আনোয়ার জানান, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জানা গেছে আরমান নামে একজন এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছেন, সহযোগীদের সঙ্গে। এ ঘটনার জড়িত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রকির বাবা কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ জানায়, এখন পর্যন্ত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

 

কামরাঙ্গীরচর থানার পরিদর্শক লুৎফর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডে আরমানসহ চারজনকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, হত্যার পেছনে রকিকে পুলিশে রিপোর্ট করার অভিযোগ ছিল। এই সন্দেহের কারণে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

 

ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয় এবং পরে কামরাঙ্গীরচরে দাফন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

কামরাঙ্গীরচরে রকির হত্যাকাণ্ড: পুলিশে সন্দেহ

পোষ্টের সময় : ০৯:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে পুলিশের সোর্স হিসেবে সন্দেহজনক তথ্য থাকার কারণে শাহাদাত ইসলাম রকি (২৭) নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নিহত রকির বড় ভাই রবিন জানান, মঙ্গলবার ভোরে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসে দেখেন তার ভাই মারা গেছেন। রকির পায়ে বেধড়ক কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

 

রকির বড় ভাই আরও জানান, তার ভাই পূর্বে নেশার সমস্যায় জড়িত ছিল এবং কয়েকবার জেলও কেটেছে। ভোর রাতে দানেশ নামের একজন তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে। পরে দানেশকেও ছুরিকাঘাত করা হয় এবং পুলিশ তাকে আটক করে। রকি বিভিন্ন দোকানে চাকরি করতেন, তবে পেটের ব্যথার কারণে কিছুদিন ধরে কাজ করছিলেন না। রকির পরিবার জানায়, রকি অবিবাহিত ছিলেন এবং পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন।

 

নিহতের মামা আনোয়ার জানান, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জানা গেছে আরমান নামে একজন এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছেন, সহযোগীদের সঙ্গে। এ ঘটনার জড়িত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রকির বাবা কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ জানায়, এখন পর্যন্ত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

 

কামরাঙ্গীরচর থানার পরিদর্শক লুৎফর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডে আরমানসহ চারজনকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, হত্যার পেছনে রকিকে পুলিশে রিপোর্ট করার অভিযোগ ছিল। এই সন্দেহের কারণে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

 

ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয় এবং পরে কামরাঙ্গীরচরে দাফন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card