০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল কাস্টমস ঘুষ কাণ্ড: দুই গ্রেপ্তার

 

যশোরের বেনাপোল কাস্টমস হাউসে আড়াই লাখ টাকা ঘুষের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুদক রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমা আক্তার ও তার সহযোগী এনজিও কর্মী হাসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন।

 

৬ অক্টোবর দুদকের যশোর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে হাসিবুর রহমানকে হাতেনাতে আটক করে। তিনি শামীমা আক্তারের কাছে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঘুষ পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। এই ঘটনায় দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পায়।

 

শামীমা আক্তার বেনাপোল কাস্টমসের শুল্কায়ন গ্রুপ-৬ এ কর্মরত। দীর্ঘদিন ধরে হাসিবুর রহমান তার ‘নিজস্ব লোক’ হিসেবে কাজ করছিলেন এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের কাছ থেকে শুল্কায়ন ফাইল অনুমোদনের বিনিময়ে ঘুষ সংগ্রহ করে শামীমার হাতে পৌঁছে দিতেন। তদন্তে দেখা গেছে, শামীমা আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে হাসিবুরকে বিভিন্ন সময় বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

 

দুদক তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১/১৬২/১৬৩/১৬৪ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করেছে। হাসিবুরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে, শামীমাকে মুচলেকা নিয়ে কমিশনারের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে এসেছে, যা সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বেনাপোল কাস্টমস ঘুষ কাণ্ড: দুই গ্রেপ্তার

পোষ্টের সময় : ০৫:০১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

 

যশোরের বেনাপোল কাস্টমস হাউসে আড়াই লাখ টাকা ঘুষের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুদক রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমা আক্তার ও তার সহযোগী এনজিও কর্মী হাসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন।

 

৬ অক্টোবর দুদকের যশোর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে হাসিবুর রহমানকে হাতেনাতে আটক করে। তিনি শামীমা আক্তারের কাছে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঘুষ পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। এই ঘটনায় দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পায়।

 

শামীমা আক্তার বেনাপোল কাস্টমসের শুল্কায়ন গ্রুপ-৬ এ কর্মরত। দীর্ঘদিন ধরে হাসিবুর রহমান তার ‘নিজস্ব লোক’ হিসেবে কাজ করছিলেন এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের কাছ থেকে শুল্কায়ন ফাইল অনুমোদনের বিনিময়ে ঘুষ সংগ্রহ করে শামীমার হাতে পৌঁছে দিতেন। তদন্তে দেখা গেছে, শামীমা আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে হাসিবুরকে বিভিন্ন সময় বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

 

দুদক তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১/১৬২/১৬৩/১৬৪ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করেছে। হাসিবুরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে, শামীমাকে মুচলেকা নিয়ে কমিশনারের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে এসেছে, যা সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

 

Share this news as a Photo Card