১১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহের সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি, প্রভাব পড়েছে শিল্পাঞ্চলেও

 

ময়মনসিংহে চলমান গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চালকরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না গ্যাস। এতে ব্যাহত হচ্ছে যাত্রী পরিবহন, কমে গেছে চালকদের আয়। একইসঙ্গে গ্যাসের স্বল্পচাপে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে শিল্পকারখানাতেও।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নগরের দিঘারকান্দা বাইপাস এলাকার কয়েকটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, চারটি স্টেশনের মধ্যে তিনটিই বন্ধ। একটি স্টেশনে অল্প সময়ের জন্য গ্যাস সরবরাহ করা হলেও অধিকাংশ যানবাহন ৮০ থেকে ১০০ টাকার বেশি গ্যাস নিতে পারছে না। ফলে গভীর রাত থেকেই সিএনজি অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।

 

সেই লাইনে অপেক্ষা করছিলেন তারাকান্দা উপজেলার সিএনজি চালক আব্দুল হালিম (৫৫)। সাত বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান পা গুরুতরভাবে আহত হয়। পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবে এখন সেই পায়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসা না হলে পা কেটে ফেলতে হতে পারে। তবু সংসারের দায়ে প্রতিদিন অপারেশন করা পা নিয়েই সিএনজি চালাতে হচ্ছে তাকে।

 

এদিকে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ময়মনসিংহের ভালুকা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায়ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

তবে কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সময়সীমা জানাতে পারেনি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্তৃপক্ষ। ফলে চালক, শিল্প উদ্যোক্তা ও সাধারণ ভোক্তাদের দুর্ভোগ কবে কাটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

নান্দাইলে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এএসআই ঈশ্বরগঞ্জের শাহ আলম

21 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ময়মনসিংহের সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি, প্রভাব পড়েছে শিল্পাঞ্চলেও

পোষ্টের সময় : ০১:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

 

ময়মনসিংহে চলমান গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চালকরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না গ্যাস। এতে ব্যাহত হচ্ছে যাত্রী পরিবহন, কমে গেছে চালকদের আয়। একইসঙ্গে গ্যাসের স্বল্পচাপে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে শিল্পকারখানাতেও।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নগরের দিঘারকান্দা বাইপাস এলাকার কয়েকটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, চারটি স্টেশনের মধ্যে তিনটিই বন্ধ। একটি স্টেশনে অল্প সময়ের জন্য গ্যাস সরবরাহ করা হলেও অধিকাংশ যানবাহন ৮০ থেকে ১০০ টাকার বেশি গ্যাস নিতে পারছে না। ফলে গভীর রাত থেকেই সিএনজি অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।

 

সেই লাইনে অপেক্ষা করছিলেন তারাকান্দা উপজেলার সিএনজি চালক আব্দুল হালিম (৫৫)। সাত বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান পা গুরুতরভাবে আহত হয়। পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবে এখন সেই পায়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসা না হলে পা কেটে ফেলতে হতে পারে। তবু সংসারের দায়ে প্রতিদিন অপারেশন করা পা নিয়েই সিএনজি চালাতে হচ্ছে তাকে।

 

এদিকে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ময়মনসিংহের ভালুকা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায়ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

তবে কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সময়সীমা জানাতে পারেনি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্তৃপক্ষ। ফলে চালক, শিল্প উদ্যোক্তা ও সাধারণ ভোক্তাদের দুর্ভোগ কবে কাটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

 

Share this news as a Photo Card