রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় অ্যানথ্রাক্সের নতুন দুটি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১১ জনে। এর আগে পীরগাছা উপজেলায় আটজন এবং মিঠাপুকুর উপজেলায় একজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স ধরা পড়েছিল।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা বুধবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পূর্বের সংক্রমণের সময় পীরগাছা উপজেলার চারটি ইউনিয়নে অর্ধশতাধিক মানুষের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এ সংক্রান্ত নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরের বিশেষজ্ঞরা আটজনের শরীরে সংক্রমণ নিশ্চিত করেন।
মিঠাপুকুর উপজেলার ইমাদপুর ইউনিয়নের আমাইপুর গ্রামে একজন কৃষকের অসুস্থ গবাদিপশু জবাইয়ের পর আশপাশের কয়েকজন মানুষ চর্মরোগে আক্রান্ত হন। তাদের মধ্যে একজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে।
মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগ নিয়ন্ত্রণের মেডিকেল অফিসার এম এ হালিম লাবলু জানিয়েছেন, আক্রান্তরা মূলত সংক্রমিত গবাদিপশুর শ্লেষ্মা, রক্ত, লালা, মাংস বা হাড়ের সংস্পর্শে এসে রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। রোগীদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন না করার জন্য তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
অ্যানথ্রাক্স একটি প্রাণঘাতী জীবাণুজনিত রোগ, যা সাধারণত গবাদিপশুর মাধ্যমে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়। তবে, সময়মতো চিকিৎসা নিলে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।
এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত কোনো গবাদিপশুর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা এবং হাইজিন বজায় রাখা জরুরি। জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সতর্কতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয়দের সচেতনতা মূল বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
স্টাফ রিপোর্টার 



















