০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকের ব্যস্ততা

 

শেরপুরের গারো পাহারের কৃষকরা শীতকালীন সবজি চাষে এখন পুরোপুরি ব্যস্ত। চলতি বছরের অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এবার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শীতকালীন সবজি চাষে মনোনিবেশ করেছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাদের উৎপাদিত সবজি বাজারে আসতে শুরু করবে।

 

কৃষকরা শীতকালীন সবজি বিক্রি করে উচ্চ লাভের আশা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও জেলায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর শেরপুরে উৎপাদিত সবজি শুধু জেলার চাহিদা পূরণ করে না, এটি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বাজারেও পৌঁছায়।

 

বিশেষ করে হলদিগ্রামসহ কিছু গ্রামের উর্বর ভূমি, চরাঞ্চল ও সমতল উপজেলা শীতকালীন সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। জেলার পাহাড়ি দুই উপজেলাতেও এই ধরনের চাষ ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে।

 

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর শীতকালীন সবজি আবাদে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকদের সঠিক পরামর্শ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে সবজির ভালো ফলন নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

 

তবে চলতি বছরের বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে কিছু ক্ষতি ঘটেছে। বীজ ও চারা নষ্ট হওয়ায় জেলার বাজারে প্রভাব পড়েছে এবং হঠাৎ করে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়ে গেছে। বর্ষা মৌসুম শেষে কৃষকরা ক্ষতি পূরণের জন্য শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন।

 

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চাষকৃত সবজির মধ্যে রয়েছে—ফুলকপি, পাতাকপি, মূলা, টমেটো, শিম, লাউ, পালংশাক, লালশাক, ধনেপাতা এবং আরও নানা ধরনের শাক-সবজি। কৃষকরা আশা করছেন, শীতকালীন সবজির এই আবাদ এবার তাদের জন্য অর্থনৈতিক সাফল্য বয়ে আনবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর শুভ উদ্বোধন

ইউক্রেনের স্কুলভবনে রুশ বোমা হামলায় নিহত ৩৩, নিখোঁজ ৫০

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

শেরপুরে শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকের ব্যস্ততা

পোষ্টের সময় : ০১:৩১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

 

শেরপুরের গারো পাহারের কৃষকরা শীতকালীন সবজি চাষে এখন পুরোপুরি ব্যস্ত। চলতি বছরের অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এবার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শীতকালীন সবজি চাষে মনোনিবেশ করেছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাদের উৎপাদিত সবজি বাজারে আসতে শুরু করবে।

 

কৃষকরা শীতকালীন সবজি বিক্রি করে উচ্চ লাভের আশা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও জেলায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর শেরপুরে উৎপাদিত সবজি শুধু জেলার চাহিদা পূরণ করে না, এটি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বাজারেও পৌঁছায়।

 

বিশেষ করে হলদিগ্রামসহ কিছু গ্রামের উর্বর ভূমি, চরাঞ্চল ও সমতল উপজেলা শীতকালীন সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। জেলার পাহাড়ি দুই উপজেলাতেও এই ধরনের চাষ ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে।

 

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর শীতকালীন সবজি আবাদে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকদের সঠিক পরামর্শ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে সবজির ভালো ফলন নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

 

তবে চলতি বছরের বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে কিছু ক্ষতি ঘটেছে। বীজ ও চারা নষ্ট হওয়ায় জেলার বাজারে প্রভাব পড়েছে এবং হঠাৎ করে বিভিন্ন সবজির দাম বেড়ে গেছে। বর্ষা মৌসুম শেষে কৃষকরা ক্ষতি পূরণের জন্য শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন।

 

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চাষকৃত সবজির মধ্যে রয়েছে—ফুলকপি, পাতাকপি, মূলা, টমেটো, শিম, লাউ, পালংশাক, লালশাক, ধনেপাতা এবং আরও নানা ধরনের শাক-সবজি। কৃষকরা আশা করছেন, শীতকালীন সবজির এই আবাদ এবার তাদের জন্য অর্থনৈতিক সাফল্য বয়ে আনবে।

 

Share this news as a Photo Card