ম্যাচের শুরুতেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়ন্সরা। তবে বিরতির পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে দলটি। আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।
৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বাম দিক থেকে গর্ডনের উঁচু করে বাড়ানো বলে দারুণ হেডে জাল খুঁজে নেন তিনি। ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-এনজাউ বলটি স্পর্শ করলেও ঠেকাতে পারেননি।
সমতায় ফেরার পর ৭৬তম মিনিটে দুই পরিবর্তন আনে ডিআর কঙ্গো। মাঠ ছাড়েন নোয়া মুকাউ ও গোলদাতা বেনি সিপেঙ্গা। তাদের জায়গায় নামেন থিও বংগোন্ডা ও এদো কায়েম্বে।
এরপর ৮৬তম মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন কেইন। বক্সের বাইরে গর্ডনের কাছ থেকে বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে জাল কাঁপান তিনি। মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে করা দুই গোলে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন এই অধিনায়ক।

স্পোর্টস ডেস্ক 

























