১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোনো নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙ্গা হল তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজার

 

ভারতের গুজরাট রাজ্যের কচ্ছ জেলায় কোনো ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়াই তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি স্থাপনা ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, অভিযানে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং দুটি আবাসিক ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

ঘটনার পর জমিয়ত ই-উলামা হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাশমী। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো নোটিশ ছাড়াই কেন মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলেও সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

 

ভেঙে ফেলা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৬৫ সাল থেকে ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধিত জুনা কান্দলা মসজিদ। মসজিদের খাদেম জানান, হঠাৎ করেই বুলডোজার এনে মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়। বাধা দিতে গেলে তাদের আটক করা হতে পারত বলেও তিনি দাবি করেন।

 

মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেন, ভাঙার সময় তারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে এবং মসজিদের কাছে যেতে চেয়েছিলেন। তবে তাদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি, বরং হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ ছাড়া আদিপুর এলাকার আরেকটি মসজিদও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, অভিযানে মোট ৩০টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং দুটি আবাসিক ভবন রয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ময়মনসিংহে রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে হুইলচেয়ার ও নেবুলাইজার কিট বিতরণ

কোনো নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙ্গা হল তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজার

01 July 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

কোনো নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙ্গা হল তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজার

পোষ্টের সময় : ০৯:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 

ভারতের গুজরাট রাজ্যের কচ্ছ জেলায় কোনো ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়াই তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি স্থাপনা ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, অভিযানে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং দুটি আবাসিক ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

ঘটনার পর জমিয়ত ই-উলামা হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাশমী। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো নোটিশ ছাড়াই কেন মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলেও সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

 

ভেঙে ফেলা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৬৫ সাল থেকে ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধিত জুনা কান্দলা মসজিদ। মসজিদের খাদেম জানান, হঠাৎ করেই বুলডোজার এনে মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়। বাধা দিতে গেলে তাদের আটক করা হতে পারত বলেও তিনি দাবি করেন।

 

মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেন, ভাঙার সময় তারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে এবং মসজিদের কাছে যেতে চেয়েছিলেন। তবে তাদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি, বরং হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ ছাড়া আদিপুর এলাকার আরেকটি মসজিদও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, অভিযানে মোট ৩০টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং দুটি আবাসিক ভবন রয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card