০২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাইবার জুয়ায় সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্টের সময় : ০৬:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩২১ ভিউ :

 

বাংলাদেশে অনলাইনে জুয়া ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম বন্ধে সরকার কঠোর আইন কার্যকর করেছে। নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে কেউ জুয়া, জালিয়াতি বা প্রতারণায় সম্পৃক্ত হলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। একই সঙ্গে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী এক কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক জরিমানা বা উভয় শাস্তিও প্রযোজ্য হতে পারে।

 

সরকারি তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অনলাইনভিত্তিক অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা। ডিজিটাল প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে দেশে ভার্চুয়াল জুয়া ও প্রতারণার ঝুঁকি বাড়ছে। এই ধরনের অপরাধ ব্যক্তি ও পরিবারকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে, পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয়ও সৃষ্টি করছে। তাই অনলাইনভিত্তিক অপরাধ রোধে সরকার এ বিধান কঠোরভাবে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি চালাবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধীরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে। সরকারের আশা, এই আইন কার্যকর হলে অনলাইনে জুয়া ও প্রতারণার প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রচারণা চালানো হবে।

 

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রযুক্তির যুগে নিরাপদ সাইবার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের কঠোর আইন অপরিহার্য।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

সাইবার জুয়ায় সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজা

পোষ্টের সময় : ০৬:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশে অনলাইনে জুয়া ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম বন্ধে সরকার কঠোর আইন কার্যকর করেছে। নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে কেউ জুয়া, জালিয়াতি বা প্রতারণায় সম্পৃক্ত হলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। একই সঙ্গে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী এক কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক জরিমানা বা উভয় শাস্তিও প্রযোজ্য হতে পারে।

 

সরকারি তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অনলাইনভিত্তিক অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা। ডিজিটাল প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে দেশে ভার্চুয়াল জুয়া ও প্রতারণার ঝুঁকি বাড়ছে। এই ধরনের অপরাধ ব্যক্তি ও পরিবারকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে, পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয়ও সৃষ্টি করছে। তাই অনলাইনভিত্তিক অপরাধ রোধে সরকার এ বিধান কঠোরভাবে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি চালাবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধীরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে। সরকারের আশা, এই আইন কার্যকর হলে অনলাইনে জুয়া ও প্রতারণার প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রচারণা চালানো হবে।

 

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রযুক্তির যুগে নিরাপদ সাইবার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের কঠোর আইন অপরিহার্য।

 

Share this news as a Photo Card