০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৭তম বিসিএস প্রশ্নে বিভ্রাট, উত্তরে সমস্যা

 

গত ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এতে প্রায় পৌনে ৪ লাখ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। তবে পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, পরীক্ষার কিছু প্রশ্নে অসঙ্গতি এবং সঠিক উত্তর না থাকার কারণে তারা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে কিছু নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের অপশনের মধ্যে কোনো সঠিক উত্তর নেই, যা পরীক্ষার মানসিক চাপ বাড়িয়েছে।

 

চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, এমন প্রশ্নে একাধিক বা কোনো সঠিক উত্তর না থাকলে পরীক্ষা দেয়ার সময় প্রার্থীরা বিভ্রান্ত হন। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয় এবং পরীক্ষার ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা দাবি করেছেন, ভুল বা অসঙ্গতিপূর্ণ প্রশ্নগুলোর নম্বর সকল পরীক্ষার্থীর জন্য দেওয়া উচিত।

 

তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে একটি প্রশ্ন বিশেষভাবে আলোচনার বিষয়। সেট-১-এর ১৪৬ নম্বর প্রশ্নে বলা হয়েছে, একটি কম্পিউটারের প্রসেসর ক্লক স্পিড ৪.০০ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক মাইকেল টাইম কত হবে। চারটি অপশন দেওয়া হয়েছিল—(ক) ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড, (খ) ২.৫ মাইক্রো সেকেন্ড, (গ) ৪ মাইক্রো সেকেন্ড, (ঘ) ৪ ন্যানো সেকেন্ড। পরীক্ষার্থীরা জানান, এ প্রশ্নটির কোনো সঠিক উত্তর নেই এবং অনেকেই অপ্রত্যাশিতভাবে চারটির মধ্যে কোনো একটি বেছে নিয়েছেন।

 

বিসিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই ধরনের অসঙ্গতি গ্রহণযোগ্য নয়। পরীক্ষা প্রস্তুতকারীরা সাধারণত প্রশ্নের মান যাচাই করেন, তবে এ ধরনের ভুল প্রশ্ন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় ফাঁক থাকার ইঙ্গিত দেয়।

 

পরীক্ষার্থীদের অনুরোধ, ভবিষ্যতে এমন ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন এড়াতে পিএসসি কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর যাচাই প্রক্রিয়া গ্রহণ করুন। এছাড়া, চলতি পরীক্ষায় যেসব প্রশ্নের উত্তর সঠিক নয়, তাদের জন্য সমান নম্বর প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

৪৭তম বিসিএস প্রশ্নে বিভ্রাট, উত্তরে সমস্যা

পোষ্টের সময় : ০২:১৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

গত ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এতে প্রায় পৌনে ৪ লাখ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। তবে পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, পরীক্ষার কিছু প্রশ্নে অসঙ্গতি এবং সঠিক উত্তর না থাকার কারণে তারা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে কিছু নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের অপশনের মধ্যে কোনো সঠিক উত্তর নেই, যা পরীক্ষার মানসিক চাপ বাড়িয়েছে।

 

চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, এমন প্রশ্নে একাধিক বা কোনো সঠিক উত্তর না থাকলে পরীক্ষা দেয়ার সময় প্রার্থীরা বিভ্রান্ত হন। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয় এবং পরীক্ষার ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা দাবি করেছেন, ভুল বা অসঙ্গতিপূর্ণ প্রশ্নগুলোর নম্বর সকল পরীক্ষার্থীর জন্য দেওয়া উচিত।

 

তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে একটি প্রশ্ন বিশেষভাবে আলোচনার বিষয়। সেট-১-এর ১৪৬ নম্বর প্রশ্নে বলা হয়েছে, একটি কম্পিউটারের প্রসেসর ক্লক স্পিড ৪.০০ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক মাইকেল টাইম কত হবে। চারটি অপশন দেওয়া হয়েছিল—(ক) ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড, (খ) ২.৫ মাইক্রো সেকেন্ড, (গ) ৪ মাইক্রো সেকেন্ড, (ঘ) ৪ ন্যানো সেকেন্ড। পরীক্ষার্থীরা জানান, এ প্রশ্নটির কোনো সঠিক উত্তর নেই এবং অনেকেই অপ্রত্যাশিতভাবে চারটির মধ্যে কোনো একটি বেছে নিয়েছেন।

 

বিসিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই ধরনের অসঙ্গতি গ্রহণযোগ্য নয়। পরীক্ষা প্রস্তুতকারীরা সাধারণত প্রশ্নের মান যাচাই করেন, তবে এ ধরনের ভুল প্রশ্ন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় ফাঁক থাকার ইঙ্গিত দেয়।

 

পরীক্ষার্থীদের অনুরোধ, ভবিষ্যতে এমন ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন এড়াতে পিএসসি কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর যাচাই প্রক্রিয়া গ্রহণ করুন। এছাড়া, চলতি পরীক্ষায় যেসব প্রশ্নের উত্তর সঠিক নয়, তাদের জন্য সমান নম্বর প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

 

Share this news as a Photo Card