আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর একটি আংশিক সূর্যগ্রহণ ঘটতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২৯ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে শুরু হবে এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। ধীরে ধীরে গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং রাত ১টা ৪১ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে পৌঁছাবে সর্বোচ্চ অবস্থায়। এর পরেই এটি শেষ হবে ভোর ৩টা ৫৩ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে। মোট সময়কাল প্রায় চার ঘণ্টা ২৪ মিনিট।
তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের আকাশ থেকে এটি দেখা যাবে না। গ্রহাণুর অবস্থান এবং সূর্য-পৃথিবী-চাঁদের কোণের কারণে এই গ্রহণ আমাদের দেশে দৃশ্যমান হবে না। তবে পৃথিবীর নির্দিষ্ট অঞ্চলে এটি পরিস্কারভাবে দেখা যাবে। নিউজিল্যান্ড, পূর্ব মেলানেশিয়া, দক্ষিণ পলিনেশিয়া এবং পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চলে থাকা মানুষরা সরাসরি এই আংশিক সূর্যগ্রহণ উপভোগ করতে পারবেন।
আইএসপিআর জানিয়েছে, গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ০.৮৫৫। এর অর্থ, সূর্যের প্রায় ৮৬ শতাংশ অংশ চাঁদের আংশিক আচ্ছাদনে ঢেকে যাবে। যদিও বাংলাদেশে এটি প্রত্যক্ষ দেখা যাবে না, তবুও জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয় ঘটনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন গ্রহণের মাধ্যমে সূর্য-চন্দ্র-পৃথিবীর অবস্থানগত সম্পর্ক বোঝা সম্ভব। এছাড়া, স্যাটেলাইট চিত্র এবং অনলাইন লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে এই দৃশ্য উপভোগ করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিচ্ছেন, যারা আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখতে চান, তারা নিরাপদ চোখের চশমা বা বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করুন। এটি চোখের ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে। বিজ্ঞান ও মহাকাশপ্রেমীদের জন্য এটি একটি অভিজ্ঞতা যা সরাসরি অনুভব করা যায় না, তবুও প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এটি দেখা সম্ভব।
স্টাফ রিপোর্টার 





















