০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ হবে: বিএডিসি চেয়ারম্যান

  • শাহ আলম উজ্জ্বল
  • পোষ্টের সময় : ০৫:৫২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২২০ ভিউ :

 

পাটের হারানো গৌরব ফিরে আনার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং পাট চাষীদের প্রনোদনা দিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে বিএডিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) রুহুল আমিন খান বলেন-পাট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যময় আশ উৎপাদনকারী অর্থকরি ফসল। বিশ্ব বাংলাদেশ পাট রপ্তানীতে প্রথম এবং উৎপাদনে দ্বিতীয় স্হানে রয়েছে। সত্তর দশকের প্রথমার্ধে পর্ষন্ত বাংলাদেশে প্রায় ৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হতো ষেখানে দেশি পাট এবং তোষা পাট চাষের অনুপাত ছিল বেশী।দেশে প্রতিবছর গড়ে ৫৫ থেকে ৬ হাজার মেট্রিক টন পাট বীজের চাহিদা রয়েছে। আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে পলিথিনের ব্যবহার কমে ষাবে এবং পাট পুনরায় সোনালী আশ হয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটাবে।

 

পাট চাষী, বীজ ডিলার ও কর্মকর্তা সমন্বয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) পাট বীজ বিভাগের আয়োজনে বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে পাট বীজ বিক্রয় ত্বরানিত করণ বিষয়ক দিন ব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনর (যুগ্ন সচিব) সদস্য সচিব মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরশন পাট বীজের মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ দেবদাস সাহা,বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বীজের মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ আবীর হোসেন,অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ মোশাব্বের হোসেন,অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ সেলিম হায়দর,কৃষি সম্প্রসারনঅধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ তৌফিক আহমেদ খান,কৃষি উন্নয়ন কর্পোরশনের যুগ্ন পরিচালক কৃষিবিদ ডক্টর মাহবুবুর রহমান ও উপপরিচালক কৃষিবিদ দিদারুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

বক্রারা বলেন-একসময়ে বাংলাদেশে পাটের ব্যাপক চাহিদা ছিল বিধায় প্রচুর পরিমানে পাটচাষ করা হতো। পাটের রং উজ্জ্বল চকচকে এবং অধিক মুল্যের জন্য একে সোনালী আশ বলা হয়।

 

পরবর্তীতে সিনথেটিক তথা পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার সহজ্র ও দামে সত্ত্বা হওয়ায় এর ব্যাপকতার কারনে পাটের কদর কমতে থাকে। সেই সাথে পাটচাষ ও কমে যায়।দীর্ঘদিন পলিথিন ব্যাগের মাধ্যমে ব্যবহারে ও সেখানে ফেলে দেয়ার কারনে ফসলী জমি উর্বরতা হারাচ্ছে। ড্রেন খালবিল নদী নালাসহ বিভিন্ন জলাশয় পলিথিনে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। ফলে বাড়তে থাকে ডেঙ্গু,চিকনগুনিয়া সহ মশাবাহিত রোগজীবানু।ঘটতে থাজে জীবনহানি।এরই প্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার পরিবেশের সুরক্ষায় পলিথিনের ব্যবহার সীমিত করে পাটের ব্যবহার সহ পাটজাত দ্রব্যোর চাহিদার প্রতি বেশী আগ্রহী হয়ে পড়েছে। ফলশ্রুতিতে পাটের কদর পুনরায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২০৫০ সালের মধ্যেই দেশে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে এবং পাট পুনরায় সোনালী আশ হয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটাবে।

 

কর্মশালায় ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলা জামালপুর,শেরপুর,নেত্রকোনা ওময়মনসিহ জেলা এবং ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষি অফিসার,কৃষক, বিএডিসি ডিলার কৃষি বিজ্ঞানী,কৃষি গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও গণমাধ্যমে শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতামূলক সভা

'রক্তদানে আমাদের ঈশ্বরগঞ্জ' এর উদ্যোগে শতাধিক শিক্ষার্থীর ব্লাড গ্রুপিং

07 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ হবে: বিএডিসি চেয়ারম্যান

পোষ্টের সময় : ০৫:৫২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

পাটের হারানো গৌরব ফিরে আনার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং পাট চাষীদের প্রনোদনা দিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে বিএডিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) রুহুল আমিন খান বলেন-পাট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যময় আশ উৎপাদনকারী অর্থকরি ফসল। বিশ্ব বাংলাদেশ পাট রপ্তানীতে প্রথম এবং উৎপাদনে দ্বিতীয় স্হানে রয়েছে। সত্তর দশকের প্রথমার্ধে পর্ষন্ত বাংলাদেশে প্রায় ৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হতো ষেখানে দেশি পাট এবং তোষা পাট চাষের অনুপাত ছিল বেশী।দেশে প্রতিবছর গড়ে ৫৫ থেকে ৬ হাজার মেট্রিক টন পাট বীজের চাহিদা রয়েছে। আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে পলিথিনের ব্যবহার কমে ষাবে এবং পাট পুনরায় সোনালী আশ হয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটাবে।

 

পাট চাষী, বীজ ডিলার ও কর্মকর্তা সমন্বয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) পাট বীজ বিভাগের আয়োজনে বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে পাট বীজ বিক্রয় ত্বরানিত করণ বিষয়ক দিন ব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনর (যুগ্ন সচিব) সদস্য সচিব মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরশন পাট বীজের মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ দেবদাস সাহা,বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বীজের মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ আবীর হোসেন,অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ মোশাব্বের হোসেন,অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ সেলিম হায়দর,কৃষি সম্প্রসারনঅধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ তৌফিক আহমেদ খান,কৃষি উন্নয়ন কর্পোরশনের যুগ্ন পরিচালক কৃষিবিদ ডক্টর মাহবুবুর রহমান ও উপপরিচালক কৃষিবিদ দিদারুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

বক্রারা বলেন-একসময়ে বাংলাদেশে পাটের ব্যাপক চাহিদা ছিল বিধায় প্রচুর পরিমানে পাটচাষ করা হতো। পাটের রং উজ্জ্বল চকচকে এবং অধিক মুল্যের জন্য একে সোনালী আশ বলা হয়।

 

পরবর্তীতে সিনথেটিক তথা পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার সহজ্র ও দামে সত্ত্বা হওয়ায় এর ব্যাপকতার কারনে পাটের কদর কমতে থাকে। সেই সাথে পাটচাষ ও কমে যায়।দীর্ঘদিন পলিথিন ব্যাগের মাধ্যমে ব্যবহারে ও সেখানে ফেলে দেয়ার কারনে ফসলী জমি উর্বরতা হারাচ্ছে। ড্রেন খালবিল নদী নালাসহ বিভিন্ন জলাশয় পলিথিনে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। ফলে বাড়তে থাকে ডেঙ্গু,চিকনগুনিয়া সহ মশাবাহিত রোগজীবানু।ঘটতে থাজে জীবনহানি।এরই প্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার পরিবেশের সুরক্ষায় পলিথিনের ব্যবহার সীমিত করে পাটের ব্যবহার সহ পাটজাত দ্রব্যোর চাহিদার প্রতি বেশী আগ্রহী হয়ে পড়েছে। ফলশ্রুতিতে পাটের কদর পুনরায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২০৫০ সালের মধ্যেই দেশে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে এবং পাট পুনরায় সোনালী আশ হয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটাবে।

 

কর্মশালায় ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলা জামালপুর,শেরপুর,নেত্রকোনা ওময়মনসিহ জেলা এবং ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষি অফিসার,কৃষক, বিএডিসি ডিলার কৃষি বিজ্ঞানী,কৃষি গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও গণমাধ্যমে শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

 

Share this news as a Photo Card