গত ১৪ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখের সরকারি অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মাদুল্লাহকে অংশগ্রহণে বাধা প্রদান, হেনস্থা এবং পরবর্তী প্রতিবাদ মিছিলে হামলার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে তারাকান্দা। আজ (শুক্রবার) এর প্রতিবাদে তারাকান্দায় এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ১১ দলীয় জোটের শরিকেরা।
জানা গেছে, তারাকান্দা বাজার চৌধুরী ফিলিং স্টেশন থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশস্থলে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জোটের সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য মতিউর রহমান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ময়মনসিংহ মহানগরের আমির মোস্তাক আহমেদ ফরাজি, জামায়াতে ইসলামি তারাকান্দা উপজেলা শাখার আমির আব্দুল হান্নান এবং এনসিপি নেতা শহীদুল ইসলাম।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১৪ই এপ্রিল উপজেলা প্রাঙ্গণে নববর্ষের অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারের প্রত্যক্ষ নির্দেশে সংসদ সদস্য মুহাম্মাদুল্লাহকে হেনস্থা ও তার কাজে বাধা প্রদান করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে মোতাহার তালুকদারের কর্মীদের নৃশংস হামলায় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন নিরীহ কর্মী রক্তাক্ত ও আহত হয়েছেন।
বক্তারা বলেন, “নির্বাচনী পরাজয়ের জিঘাংসা থেকেই মোতাহার হোসেন তালুকদার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছেন এবং এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছেন। তার নির্দেশে যেভাবে এমপির ওপর চড়াও হওয়া হয়েছে এবং সাধারণ কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
বিএনপির উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে নেতারা বলেন, “বিএনপির সাথে আমাদের সরাসরি কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু বিএনপি যেন মোতাহার হোসেন তালুকদারের মতো একজন সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকের দায়ভার গ্রহণ না করে। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
সমাবেশ থেকে অবিলম্বে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়।
স্টাফ রিপোর্টার 






















