নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আল-আমিন সরকার নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি লাভ করায় তাঁকে বিদায় সংবর্ধনা এবং নবাগত উপজেলা প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমানকে বরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলা এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঠিকাদারদের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ বিদায় ও বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবযোগদানকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী সজল বিন রেজার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন ভূঁঞা, সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান মজনু, কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ঠিকাদার মো. সেকুল ইসলাম খান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঠিকাদার মো. জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন, ঠিকাদার মজনু রহমান খন্দকার, ঠিকাদার মো. জাহাঙ্গীর, সুমন, সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা এবং এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বক্তারা বলেন, উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. আল-আমিন সরকার উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর কর্মদক্ষতা, সততা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করে তাঁরা নতুন কর্মস্থলে তাঁর সফলতা কামনা করেন। একই সঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলীর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো একজন সংসদ সদস্যের উপস্থিতির বিষয়টিও বক্তারা উল্লেখ করে প্রশংসা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বিদায়ী প্রকৌশলীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং নবাগত উপজেলা প্রকৌশলীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি কেন্দুয়া-আটপাড়ার সার্বিক উন্নয়নে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবাগত উপজেলা প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
এ সময় বিদায়ী উপজেলা প্রকৌশলী মো. আল-আমিন সরকারকে সম্মাননা স্মারক, নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীকে প্রশংসা স্মারক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঠিকাদার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ।
কেন্দুয়া প্রতিনিধি 



















