নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় রিনা আক্তারের লাশ ফেলে পালিয়ে যায় পাষন্ড স্বামী পিয়েল। এরই প্রেক্ষিতে কেন্দুয়ায় থানায় মেয়েটির বাবা জাকির হোসেন ২ মার্চ পাষন্ড স্বামী পিয়েলকে প্রধান আসামী করে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসি, আসামী প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার চেয়ে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকালে মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নে মদন-কেন্দুয়া সড়কে, কাইটাইল বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী। মানববন্ধনে বাবা জাকির হোসেন হত্যাকারী পিয়েলকে দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান।
এ সময় বানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান হেলাল, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সাইমন মিয়া, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মানিক মেম্বার, ইউনিয়ন যুবদল সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান ধনাই, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মোঃ জসিম মিয়া প্রমূখ।
জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারী বুধবার সন্ধ্যায় আনুমানিক ৬ ঘটিকার সময় কেন্দুয়া নোয়াপাড়া ইউনিয়নের কুনাপাড়া গ্রামের পাষন্ড স্বামী পিয়েলের বাড়িতে খুন হওয়া রিমা আক্তারকে বিষ দিয়ে হত্যার নাটক সাজায় পাষন্ড স্বামীসহ পরিবারের লোকজন। এর পর মেয়েটিকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। গুরুতর হওয়া ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এর পর পিয়েলের ভাই মেয়েটির বাবাকে মোবাইল ফোনে খবর দেয় তার মেয়ে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। এমন সংবাদে মেয়েটির পরিবারের লোকজন হাসপাতালে দ্রুত ছুটে গেলে পাষন্ড স্বামী স্ত্রীর স্বজনদের দেখে লাশ ফেলে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা কেন্দুয়া উপজেলায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। নিহত রিমা আক্তারের বাড়ির মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নে বাশরী দূর্গাশ্রম গ্রামে।





















