অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার একটি স্কুলে ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ হামলায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। স্কুলটি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন রেড ক্রস কর্মী, একজন সাংবাদিক ও বেশ কয়েকজন শিশু। নিহতদের একজন ১১ বছর বয়সী গাজার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খ্যাতিমান ইনফ্লুয়েন্সার ইয়াকিন হাম্মাদ।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (২৬ মে) ইসরায়েল নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু করে। গাজার বিভিন্ন অংশে চালানো এসব হামলায় গত ৪৮ ঘণ্টায় আরও ১২ জন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে জানিয়েছে, গাজায় প্রায় ৭০ হাজার শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে এবং অনেকে চরম মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছে। রোববার চার বছর বয়সী মোহাম্মদ ইয়াসিন খাবারের অভাবে মৃত্যুবরণ করে।
ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের মাত্র এক সপ্তাহে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৬০০ মানুষ। মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরের একটি তাঁবু আশ্রয়কেন্দ্রে হামলায় এক মা ও তার সন্তানদের মৃত্যু হয়। খান ইউনিসের বানি সুহেইলায় ড্রোন হামলায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উত্তর গাজার জাবালিয়ায় চালানো এক হামলায় প্রাণ হারান পাঁচজন, যাদের মধ্যে দুইজন নারী ও এক শিশু রয়েছে।
একইদিনে হামলায় নিহত হন ডা. আলা আমির আল-নাজ্জারের ১০ সন্তানের মধ্যে ৯ জনই। একমাত্র জীবিত সন্তান, ১১ বছর বয়সী আদম বর্তমানে আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
এদিকে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ইউরোপ ও আরব বিশ্বের ২০টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি তোলা হয়েছে। সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জন করা।






















