১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোলটেবিল বৈঠক- গণভোট না অর্ডিনেন্স : প্রসঙ্গ জুলাই সনদ 

 

সেন্টার ফর সিভিল সোসাইটির আয়োজনে “গণভোট না অর্ডিনেন্স: প্রসঙ্গ জুলাই সনদ” বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গত শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ গোল টেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সেন্টার ফর সিভিল সোসাইটির সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর আইনজীবী মো: পারভেজ হোসেন।

 

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনের আইনজীবী ও বাংলাদেশ সরকারের অ্যাসিস্টেন্ট অ্যাটর্নী জেনারেল হুমায়ুন কবির তানিমের সঞ্চালনায় এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি- বিচারপতি এ এফ এম আব্দুর রহমান। এ সময় তিনি এত প্রাণহানীর বিনিময়েও জুলাই আন্দোলনকে বিপ্লবে পরিনত না করতে পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন। একইসাথে জুলাই ঘোষণাপত্রে সকল রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জুলাই সনদের কাজ শুরুর আহবান জানান। তিনি বলেন, এই জুলাই সনদকে সংবিধানের ৪র্থ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

গোল টেবিল আলোচনায় কি- নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনের আইনজীবী ব্যারিস্টার এস এম শাহরিয়ার কবির – তিনি বলেন স্বাধীনতার পর হতে এ দেশের মানুষ ক্রমাগত প্রতারিত হচ্ছে। যখন যে দলই ক্ষমতায় গিয়েছে তারা ক্ষমতায় গিয়ে দলীয় স্বার্থ ছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য তেমন কিছুই করেনি। তাই জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি যদি মজবুত না হয় তাহলে পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার এলে আরেকবার এ দেশের মানুষ প্রতারিত হতে পারে।

 

গোলটেবিল আলোচনায় যারা তাদের মতামত প্রদান করেন:

 

বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিকতা সদিচ্ছা এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাটাই জরুরী। আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছা থাকলে কিভাবে এই সনদকে শহীদ আহত এবং জনসাধারণের পক্ষে একটি সাংবিধানিক বিধিবদ্ধ হিসেবে তৈরি করা যায় তার পথ বের হয়ে যাবে।

 

ইসলামী ছাত্র শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, এই সরকার এতগুলো সংস্কার কমিশন গঠন করেছে আমরা দেখেছি। অথচ এই জুলাই বিপ্লব যে সংগঠিত হয়েছে তা মূলত হয়েছে ক্যাম্পাস ভিত্তিক আন্দোলনের মাধ্যমে এবং ছাত্রদের দ্বারা অথচ ছাত্রদের মনস্তাত্ত্বিক এবং একাডেমিক একাডেমিক ডেভলপমেন্ট এর জন্য সরকার কোন কমিশন গঠন করেনি। তিনি বলেন আমরা মনে করি ফ্যাসিবাদ কায়েম হওয়ার কোন সুযোগ রাখা যাবে না, তাই জুলাই সনদের পক্ষে গণভোট হওয়া জরুরী।

 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, আমাদেরকে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি, বৈধতা এবং জনসমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।

 

গুমের শিকার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, যত সরকার এসেছে তারা তাদের নিজেদের ও নিজেদের দলের আখের গুছিয়েছে। সময়ের ধারাবাহিকতায় আমরা পৈশাচিক হয়েছি। নানান সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমরা আস্থা রাখতে পারিনি। তাই জুলাই সনদের যদি আইনগত বৈধতা না থাকে তাহলে নির্বাচিত সরকার এই সনদকে নাও মূল্যায়ন করতে পারে।

 

ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক শরিফ ওসমান হাদী বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম যে এই জুলাই সনদের ভাষা অত্যন্ত সাবলীল হতে হবে। যেহেতু এই সরকার জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মেন্ডেট নিয়ে বসেছে তাই উচিত ছিল জুলাই শহীদদের সাথে এবং আহতদের সাথে লম্বা সময় নিয়ে কথা বলে জুলাই সনদ প্রস্তুত করা। কিন্তু এই সরকার কি করলো জুলাই সনদ প্রস্তুতির সময় তারা রাজনৈতিক দলের সাথে চা, পানি সিঙ্গারা, সমুচা খেতে খেতে জুলাই সনদ ঠিক করলেন।

 

এ আয়োজনে অংশ নেন ব্যারিস্টার সাজ্জাদ আলী। তিনি মিশর ও শ্রীলংকার অন্তবর্তী কালীন সরকারের উদাহরণ টেনে বলেন, সাধারণত দেখা যায় রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের কথা বললেও যখন তারা ক্ষমতায় যায় তখন রাজতন্ত্রের দিকেই ধাপিত হয়। তাই জুলাই সনদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য এবং এই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান করা জরুরি।

 

অপর আলোচক ডক্টর হেলাল উদ্দিন বলেন, জুলাই সনদকে নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হচ্ছে। ৫ ই আগস্ট যে ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়েছে তা মূলত জুলাই সনদ নয় বরং জুলাই ঘোষণাপত্র। জুলাই সনদে জুলাই বিপ্লবের যারা স্টেক হোল্ডার তাদের বিষয়টি যথাযথভাবে তদারকি করার এবং গণভোটে আয়োজন করার মাধ্যমে সংবিধানে জুলাই সনদের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

 

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের সমালোচনা নয় বরং সম্মিলিত ঐক্যের মাধ্যমে জুলাই সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

 

ব্যারিস্টার শারমিন জাহান মিলি বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে একই প্লাটফর্মে থেকে ভিন্নমত পোষণ করা। আমি মনে করি যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত আছে তাই জুলাই সনদের জন্য গণভোট নয় রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছায় যথেষ্ট। অর্ডিন্যান্স এর মাধ্যমেও এই সনদকে আইনগত বৈধতা দেওয়া যায়।

 

গণধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: রাশেদ খান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তার একটি ভাষণে বলেছেন মানুষ গণভোট বোঝেনা। তার বক্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার যে তিনি গণভোটের আয়োজন করতে রাজি নয়। তবে আমরা দাবি তুলতে পারি। এর গুরুত্ব তুলে ধরতে পারি।

 

অনুষ্ঠানে সমাজের সচেতন মহল ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

গোলটেবিল বৈঠক- গণভোট না অর্ডিনেন্স : প্রসঙ্গ জুলাই সনদ 

পোষ্টের সময় : ০৪:০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

 

সেন্টার ফর সিভিল সোসাইটির আয়োজনে “গণভোট না অর্ডিনেন্স: প্রসঙ্গ জুলাই সনদ” বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গত শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ গোল টেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সেন্টার ফর সিভিল সোসাইটির সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর আইনজীবী মো: পারভেজ হোসেন।

 

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনের আইনজীবী ও বাংলাদেশ সরকারের অ্যাসিস্টেন্ট অ্যাটর্নী জেনারেল হুমায়ুন কবির তানিমের সঞ্চালনায় এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি- বিচারপতি এ এফ এম আব্দুর রহমান। এ সময় তিনি এত প্রাণহানীর বিনিময়েও জুলাই আন্দোলনকে বিপ্লবে পরিনত না করতে পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন। একইসাথে জুলাই ঘোষণাপত্রে সকল রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জুলাই সনদের কাজ শুরুর আহবান জানান। তিনি বলেন, এই জুলাই সনদকে সংবিধানের ৪র্থ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

গোল টেবিল আলোচনায় কি- নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনের আইনজীবী ব্যারিস্টার এস এম শাহরিয়ার কবির – তিনি বলেন স্বাধীনতার পর হতে এ দেশের মানুষ ক্রমাগত প্রতারিত হচ্ছে। যখন যে দলই ক্ষমতায় গিয়েছে তারা ক্ষমতায় গিয়ে দলীয় স্বার্থ ছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য তেমন কিছুই করেনি। তাই জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি যদি মজবুত না হয় তাহলে পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার এলে আরেকবার এ দেশের মানুষ প্রতারিত হতে পারে।

 

গোলটেবিল আলোচনায় যারা তাদের মতামত প্রদান করেন:

 

বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিকতা সদিচ্ছা এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাটাই জরুরী। আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছা থাকলে কিভাবে এই সনদকে শহীদ আহত এবং জনসাধারণের পক্ষে একটি সাংবিধানিক বিধিবদ্ধ হিসেবে তৈরি করা যায় তার পথ বের হয়ে যাবে।

 

ইসলামী ছাত্র শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, এই সরকার এতগুলো সংস্কার কমিশন গঠন করেছে আমরা দেখেছি। অথচ এই জুলাই বিপ্লব যে সংগঠিত হয়েছে তা মূলত হয়েছে ক্যাম্পাস ভিত্তিক আন্দোলনের মাধ্যমে এবং ছাত্রদের দ্বারা অথচ ছাত্রদের মনস্তাত্ত্বিক এবং একাডেমিক একাডেমিক ডেভলপমেন্ট এর জন্য সরকার কোন কমিশন গঠন করেনি। তিনি বলেন আমরা মনে করি ফ্যাসিবাদ কায়েম হওয়ার কোন সুযোগ রাখা যাবে না, তাই জুলাই সনদের পক্ষে গণভোট হওয়া জরুরী।

 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, আমাদেরকে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি, বৈধতা এবং জনসমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।

 

গুমের শিকার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, যত সরকার এসেছে তারা তাদের নিজেদের ও নিজেদের দলের আখের গুছিয়েছে। সময়ের ধারাবাহিকতায় আমরা পৈশাচিক হয়েছি। নানান সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমরা আস্থা রাখতে পারিনি। তাই জুলাই সনদের যদি আইনগত বৈধতা না থাকে তাহলে নির্বাচিত সরকার এই সনদকে নাও মূল্যায়ন করতে পারে।

 

ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক শরিফ ওসমান হাদী বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম যে এই জুলাই সনদের ভাষা অত্যন্ত সাবলীল হতে হবে। যেহেতু এই সরকার জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মেন্ডেট নিয়ে বসেছে তাই উচিত ছিল জুলাই শহীদদের সাথে এবং আহতদের সাথে লম্বা সময় নিয়ে কথা বলে জুলাই সনদ প্রস্তুত করা। কিন্তু এই সরকার কি করলো জুলাই সনদ প্রস্তুতির সময় তারা রাজনৈতিক দলের সাথে চা, পানি সিঙ্গারা, সমুচা খেতে খেতে জুলাই সনদ ঠিক করলেন।

 

এ আয়োজনে অংশ নেন ব্যারিস্টার সাজ্জাদ আলী। তিনি মিশর ও শ্রীলংকার অন্তবর্তী কালীন সরকারের উদাহরণ টেনে বলেন, সাধারণত দেখা যায় রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের কথা বললেও যখন তারা ক্ষমতায় যায় তখন রাজতন্ত্রের দিকেই ধাপিত হয়। তাই জুলাই সনদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য এবং এই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান করা জরুরি।

 

অপর আলোচক ডক্টর হেলাল উদ্দিন বলেন, জুলাই সনদকে নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হচ্ছে। ৫ ই আগস্ট যে ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়েছে তা মূলত জুলাই সনদ নয় বরং জুলাই ঘোষণাপত্র। জুলাই সনদে জুলাই বিপ্লবের যারা স্টেক হোল্ডার তাদের বিষয়টি যথাযথভাবে তদারকি করার এবং গণভোটে আয়োজন করার মাধ্যমে সংবিধানে জুলাই সনদের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

 

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের সমালোচনা নয় বরং সম্মিলিত ঐক্যের মাধ্যমে জুলাই সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

 

ব্যারিস্টার শারমিন জাহান মিলি বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে একই প্লাটফর্মে থেকে ভিন্নমত পোষণ করা। আমি মনে করি যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত আছে তাই জুলাই সনদের জন্য গণভোট নয় রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছায় যথেষ্ট। অর্ডিন্যান্স এর মাধ্যমেও এই সনদকে আইনগত বৈধতা দেওয়া যায়।

 

গণধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: রাশেদ খান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তার একটি ভাষণে বলেছেন মানুষ গণভোট বোঝেনা। তার বক্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার যে তিনি গণভোটের আয়োজন করতে রাজি নয়। তবে আমরা দাবি তুলতে পারি। এর গুরুত্ব তুলে ধরতে পারি।

 

অনুষ্ঠানে সমাজের সচেতন মহল ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

Share this news as a Photo Card