চট্টগ্রাম বন্দরে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ ঘনচিনি জব্দ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সূত্রে জানা যায়, বন্দরের খালাস প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে থাকা তিনটি কনটেইনার থেকে প্রায় ৩৯ টন (৩৯ হাজার কেজি) সোডিয়াম সাইক্লামেট বা ঘনচিনি উদ্ধার করা হয়। সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কাস্টমস সূত্র জানায়, রাজধানীর বংশালের এসপি ট্রেডার্স প্রতিষ্ঠান চীন থেকে মোট ৬৩ টন পণ্য আমদানি করেছিল। তারা চালানটিকে পানি ও বর্জ্য পরিশোধনের জন্য পলি অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড বলে ঘোষণা করেছিল। চালান খালাসের জন্য সি বার্ড করপোরেশন ৭ অক্টোবর বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম খালাস থামিয়ে দেয়।
২৮ অক্টোবর কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, চালানে দুই ধরনের পণ্যের অস্তিত্ব আছে। কাস্টম হাউসের পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে বোঝা যায়, ঘোষণার বিপরীতে ২৪ টন পলি অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড থাকলেও ৩৯ টন ঘনচিনি নিষিদ্ধ।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘনচিনি সাধারণ চিনির তুলনায় ৩০–৫০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং এটি মিষ্টান্ন, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, পানীয় ও শিশু খাদ্যে অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়। এটি ক্যান্সার, কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই, আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪ অনুযায়ী পণ্যের আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
নিষিদ্ধ পণ্য আমদানির কারণে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কাস্টমস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান জনস্বাস্থ্যের রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।
স্টাফ রিপোর্টার 




















