সানসিল্কের আমন্ত্রণে গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এসেছেন পাকিস্তানের এ সময়ের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন মডেল অভিনেত্রী হানিয়া আমির। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার রাজধানীর শেরাটন হোটেলে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জনপ্রিয় এই তারকা। এ সময় সানসিল্কের কিছু শর্ত পূরণ করে অনেক সাধারণ মানুষও হানিয়ার সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলার সুযোগ পান। আজ রবিবার সানসিল্ক আয়োজিত এক্সক্লুসিভ ফটোশুটে অংশ নিয়ে বিকেলেই পাকিস্তানে ফিরে যাবেন হানিয়া।
তবে বাংলাদেশে এসে ঢাকার প্রেমে পড়ে গেছেন বলে জানান পাকিস্তানি এই মডেল-অভিনেত্রী। প্রথম দিন বাংলাদেশে পা রেখেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলায় হানিয়া লেখেন, ‘আসসালামুয়ালাইকুম, বাংলাদেশ কেমন আছ?’। সঙ্গে দেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পতাকার ইমোজি। মুহূর্তেই নেটিজেনরা হানিয়াকে ভালোবাসা আর শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দেন।
পরদিন শুক্রবার ভোর সকালেই ঢাকা ঘুরতে বের হন হানিয়া আমির। এই ঘোরাঘুরিতে সঙ্গ দিয়েছিলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফুড ভøগার ইফতেখার রাফসান। ভাইরাল কিছু ভিডিও ছবিতে দেখা যায়, রাফসানের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন হানিয়া; তাদের একসঙ্গে আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে ফুচকা ও ঝালমুড়িও খেতে দেখা যায়। মাটির কাপে দুধ চাও খান তারা। শুধু তাই নয়, একসঙ্গে রিকশায়ও ঘোরেন তারা। এ সময় রাফসানের সঙ্গে হানিয়াকে গল্প করতেও দেখা যায়।
হানিয়া জানান, ঢাকার ঝালমুড়ি আর ফুচকারও প্রেমে পড়েছেন তিনি। শুক্রবার সকালে এই অভিনেত্রী হাজির হন পুরান ঢাকার নবাববাড়ি আহসান মঞ্জিলে। সেখানে তার সঙ্গী হন চিত্রতারকা দম্পতি নাঈম-শাবনাজের বড় মেয়ে নামিরা নাঈম। নামিরা নবাববাড়ির মেয়ে জানতে পেরে হানিয়া উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। শুরু হয় জমজমাট আড্ডা।
নামিরা জানান, একটি শুটিংয়ের জন্য শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় আহসান মঞ্জিলে আসেন হানিয়া আমির। এ সময় নাগা মরিচের ঝালমুড়ি দিয়ে নাশতা সারেন হানিয়া। নামিরা নাঈম বলেন, ‘হানিয়া খুব ঝাল খেতে পারেন। অবাক করার মতো! তিনি শুটিং সেটে এসেছিলেন খালি পেটে। এসেই নাগা মরিচের ঝালমুড়ি খেয়ে নিলেন। বেশ আনন্দ নিয়েই খেয়েছেন। ফুচকাও খেয়েছেন তিন-চারটি নাগা মরিচ দিয়ে। আমাদের তো ঝাল দেখলেই চোখে পানি আসে, কিন্তু হানিয়ার জন্য সব স্বাভাবিক!’
নামিরা আরও বলেন, ‘ঢাকার আহসান মঞ্জিলে রাফসান দ্য ছোট ভাই হানিয়াকে নিয়ে একটি ভøগিংয়ের শুটিং করেন। তিনিই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে যেতে বলেন। হানিয়ার সঙ্গে পরিচিত হয়ে আনন্দ পেয়েছি। আমি নবাববাড়ির মেয়ে জেনে খুব আগ্রহ দেখিয়েছেন। পাকিস্তানে আমাদের অনেক আত্মীয়স্বজন ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে জেনে অবাক হয়েছেন তিনি। পাকিস্তানি ডিজাইনার আমির আদনান এবং অভিনয়শিল্পী ও গায়ক আলী জাফরের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পারিবারিক, তাদের নিয়েও আলাপ হলো। হানিয়াকে সামনাসামনি দেখা চমৎকার অভিজ্ঞতা। তিনি প্রাণখোলা, বন্ধুসুলভ একজন মানুষ।’
বিনোদন ডেস্ক 

























