বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান আবারও আলোচনায়। সম্প্রতি ভারতের একটি কনসার্টে অংশ নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছেন শুধু মঞ্চ নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেও। ভক্তদের জন্য বিষয়টি ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত, কারণ বহুদিন ধরেই তাহসান ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তবে এবার তিনি স্পষ্ট করে ঘোষণা দিয়েছেন, এই দুই প্ল্যাটফর্মে আর তাকে পাওয়া যাবে না।
কনসার্ট চলাকালীন ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিদায় মানে তো বিদায়।” এ সময় তাহসান উল্লেখ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে ভীষণ নেতিবাচক হয়ে উঠেছে। এখানে ভালো কাজের চেয়ে খারাপ প্রতিক্রিয়াই বেশি ছড়িয়ে পড়ে। তার ভাষায়, “মানুষ এখন ইতিবাচকতার চেয়ে নেতিবাচকতা দেখতে বেশি আগ্রহী। এতে সৃষ্টিশীল কাজের আনন্দ নষ্ট হয়ে যায়।”
তাহসান আরও জানান, ইতিমধ্যে তিনি তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভ করেছেন। এ সিদ্ধান্তের ফলে ভক্তরা হতাশ হলেও তিনি বিশ্বাস করেন, নিজেকে এই পরিবেশ থেকে সরিয়ে নেওয়াই মানসিক শান্তির জন্য সঠিক পথ। সংগীত ক্যারিয়ার নিয়েও ইঙ্গিত দেন তিনি। তার মতে, ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে নিতে চান যেন মানুষ আস্তে আস্তে তাকে ভুলে যায়।
শুধু সংগীত নয়, অভিনয় ও উপস্থাপনাতেও সমানভাবে জনপ্রিয় এই শিল্পী সবসময় তরুণদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। তবে এবার তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য ও মানসিক প্রশান্তিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। তার হঠাৎ এ সিদ্ধান্তে ভক্তরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ মনে করছেন, এটি হয়তো সাময়িক, আবার অনেকেই ধারণা করছেন, তাহসান সত্যিই ধীরে ধীরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে সরে যাচ্ছেন।
যদিও তিনি চূড়ান্তভাবে সংগীতজীবন শেষ করার কথা স্পষ্ট করেননি, তবে সাম্প্রতিক বক্তব্য ভক্তদের মনে একধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। ভক্তরা আশা করছেন, তাহসান হয়তো একসময় নতুনভাবে ফিরে আসবেন। কিন্তু আপাতত তার সিদ্ধান্ত—‘বিদায় মানে তো বিদায়’।
স্টাফ রিপোর্টার 























