নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ২১ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়েছে ভারতীয় সীমন্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তাঁদের মধ্যে ১৯ জন তৃতীয় লিঙ্গ ও দুজন পুরুষ রয়েছেন। বিজয়পুর বিওপির ১১৪৮/৪ এস থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আড়াপাড়া এলাকায় পুশইন করা হলে তাঁদের আটক করে বিজিবি।
আটক ব্যক্তিদের বাড়ি ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজবাড়ী, পটুয়াখালী, মৌলভীবাজার, জামালপুর, টাঙ্গাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায়।
বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে জেলার দুর্গাপুরের বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে তাঁদের পুশইন করা হয় বলে জানিয়েছেন নেত্রকোনা ৩১ বিজিবির বিজয়পুর ক্যাম্প কমান্ডার শহীদুল ইসলাম।
কমান্ডার শহীদুল ইসলাম জানান, সীমান্তে হাবিলদার আব্দুল করিমের নেতৃত্বে একটি দল টহল দেওয়ার সময় বিএসএফের পুশইন করা ২১ জনকে আড়াপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। আটককৃতরা দিল্লিতে কাজের জন্য যায়। তাদের দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে একত্রিত করে গতকাল দিল্লির নাজিরাবাদ বিমানবন্দর দিয়ে বিমানে করে আসামে নেওয়া হয়। পরে তাদের আজ ভোরে বিএসএফ বিজয়পুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে ঠেলে দেয় বাংলাদেশে। আটককৃতদের দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।
অন্যদিকে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা সাতজন সন্দেহভাজন নারী-পুরুষকে আটক করে স্থানীয়রা থানায় সোপর্দ করেছেন। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন নারী ও তিনজন পুরুষ।
আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁদের দেখতে পান স্থানীয়রা। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) আব্দুল মোতালেব জানান, ওই সাতজনকে এলোমেলোভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে এলাকাবাসী তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে জানা যায়, তাঁরা অনেক আগেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাঁদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সাতজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’





















