ময়মনসিংহের নান্দাইলে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা রমজান আলীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের তালিমুল উম্মা নূরে মদিনা কওমী মহিলা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়রা শিক্ষককে আটক রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে শিক্ষককে উদ্ধার করতে চাইলে ছাত্রীদের বাধার মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
আটককৃত মাদ্রাসা শিক্ষক নান্দাইল সদর ইউনিয়নের ভাটি পাঁচানী গ্রামের মো. আব্দুস সালামের পুত্র।
ভুক্তভোগী মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে মাদ্রাসার মিযান শাখার ছাত্রী (১৫) মাদ্রাসায় গেলে শিক্ষক মাওলানা রমজান আলী ছাত্রীকে রুমে একা পেয়ে হাত ধরে টান দিয়ে জড়িয়ে ধরতে চান। এ সময় ছাত্রী চিৎকার করে শিক্ষককে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যায়। পরে বিষয়টি ছাত্রী তার পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে।
থানায় অবস্থানকালে অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা রমজান আলী জানান, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। তিনি মাদ্রাসায় ছাত্রীকে আসতে দেখেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী ছাত্রী বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি। তবে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা শাহজাহান মিয়া বলেন, “আমার মেয়েকে ওই হুজুর একা পেয়ে হাত ধরে টানাটানি করেছে। আমি এর বিচার চাই।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর বাবা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।
স্টাফ রিপোর্টার, নান্দাইল 



















