১১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনায় খেলাফত শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতিকে ছাড়িয়ে নিতে থানা ঘেরাও

নেত্রকোনা জেলা খেলাফত শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতিকে ছাড়াতে থানা ঘেরাও। ছবি- ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস।

 

নেত্রকোনায় নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জেলা খেলাফত শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাকে ছাড়িয়ে নিতে সোমবার বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মডেল থানা ঘেরাও করেছে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব গাজী মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম রুহীর নেতৃত্বে শত শত নেতাকর্মী মডেল থানা ঘেরাও কর্মসূচীতে অংশ নেন। ধীরে ধীরে হোটেল শ্রমিকরাও আন্দোলনে জড়িত হন।

 

জানা গেছে,  জেলা শহরের কুড়পার এলাকা থেকে খেলাফত শ্রমিক আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে সোমবার বিকেলে মডেল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর থেকেই মডেল থানার গেইটে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। থানায় জড়ো হওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলা শহরের সকল হোটেল রেস্তোরার শ্রমিকরা কাজে যোগদান না করে আনোয়ার হোসেনের মুক্তির দাবীতে অনড় থাকায় সকল হোটেল মালিকদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২২ মে জেলা শহরের ছোটবাজার দলীয় কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচী চলাকালে রাস্তা বন্ধ করে বিভিন্ন যানবাহন ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রোববার রাতে মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সদর উপজেলার আমলি কেশবপুর গ্রামের মান্নান মিয়ার ছেলে তাঁতীদল নেতা মো. সুমন মিয়া বাদী হয়ে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুর রহমান লিটনকে প্রধান আসামী করে ২৫২ জনের নাম উল্লেখসহ ৮০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব গাজী মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম রুহী বলেন, খেলাফত শ্রমিক আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। আনোয়ার হোটেল শ্রমিক সংগঠনেরও সভাপতি। ডিসি অফিসে মে দিবসে শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে প্রস্তুতি সভায় তিনি সোচ্চার ছিলেন। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে হোটেল মালিকরা। আনোয়ারকে দ্রæত মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচী দেয়া হবে। খেলাফত শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতিকে
আওয়ামীলীগ নেতা বানিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির তীব্র নিন্দা জানাই।

মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী শাহ নেওয়াজ জানান, নাশকতার মামলায় এজাহারভুক্ত ৯৩নং ক্রমিকের আসামী আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আনোয়ার হোসেনের মুক্তির দাবীতে খেলাফত আন্দোলনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হলে তাদেরকে বুঝিয়ে শান্ত করা হয়।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

নেত্রকোনায় খেলাফত শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতিকে ছাড়িয়ে নিতে থানা ঘেরাও

পোষ্টের সময় : ০৩:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

নেত্রকোনায় নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জেলা খেলাফত শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাকে ছাড়িয়ে নিতে সোমবার বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মডেল থানা ঘেরাও করেছে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব গাজী মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম রুহীর নেতৃত্বে শত শত নেতাকর্মী মডেল থানা ঘেরাও কর্মসূচীতে অংশ নেন। ধীরে ধীরে হোটেল শ্রমিকরাও আন্দোলনে জড়িত হন।

 

জানা গেছে,  জেলা শহরের কুড়পার এলাকা থেকে খেলাফত শ্রমিক আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে সোমবার বিকেলে মডেল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর থেকেই মডেল থানার গেইটে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। থানায় জড়ো হওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলা শহরের সকল হোটেল রেস্তোরার শ্রমিকরা কাজে যোগদান না করে আনোয়ার হোসেনের মুক্তির দাবীতে অনড় থাকায় সকল হোটেল মালিকদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২২ মে জেলা শহরের ছোটবাজার দলীয় কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচী চলাকালে রাস্তা বন্ধ করে বিভিন্ন যানবাহন ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রোববার রাতে মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সদর উপজেলার আমলি কেশবপুর গ্রামের মান্নান মিয়ার ছেলে তাঁতীদল নেতা মো. সুমন মিয়া বাদী হয়ে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুর রহমান লিটনকে প্রধান আসামী করে ২৫২ জনের নাম উল্লেখসহ ৮০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব গাজী মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম রুহী বলেন, খেলাফত শ্রমিক আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। আনোয়ার হোটেল শ্রমিক সংগঠনেরও সভাপতি। ডিসি অফিসে মে দিবসে শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে প্রস্তুতি সভায় তিনি সোচ্চার ছিলেন। এরপর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে হোটেল মালিকরা। আনোয়ারকে দ্রæত মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচী দেয়া হবে। খেলাফত শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতিকে
আওয়ামীলীগ নেতা বানিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির তীব্র নিন্দা জানাই।

মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী শাহ নেওয়াজ জানান, নাশকতার মামলায় এজাহারভুক্ত ৯৩নং ক্রমিকের আসামী আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আনোয়ার হোসেনের মুক্তির দাবীতে খেলাফত আন্দোলনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হলে তাদেরকে বুঝিয়ে শান্ত করা হয়।

 

Share this news as a Photo Card