পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলাম। তিনি জানান, পল্লবীর ব্লক সি-এর ১৩ নম্বর রোডে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় কিবরিয়া গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন।
এসআই রাশেদুল ইসলাম আরও বলেন, দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুলিবিদ্ধ কিবরিয়াকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় কারা জড়িত এবং কী কারণে সংঘর্ষ হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দায়ীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, “কিবরিয়াকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা যান।” তিনি এ হত্যাকাণ্ডকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেন।
ঘটনার পর পল্লবী, মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেক দোকানপাট আগেভাগে বন্ধ হয়ে যায়। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এই হত্যাকাণ্ড ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা কিবরিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এই হত্যাকাণ্ড নতুন করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















