কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন কালীগঞ্জের মানুষ। প্রায় তিন দিন ধরে এই উপজেলার অনেক এলাকা বিদ্যুৎবিহীন। রবিবার (১৮ মে) সরেজমিন গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই তথ্য জানা যায়।
এলাকাবাসী জানায়, কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যুতের তার অনেক জায়গায় ছিঁড়ে গেছে।
এখন তুমুলিয়া, ভাদার্তি, দুর্বাটিসহ অনেক এলাকায় তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। হঠাৎ আসলেও একটু পরেই চলে যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও নাগরিক জীবন প্রায় অচল হয়ে গেছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় টিভি ফ্রিজও বন্ধ।
বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগও বন্ধের উপক্রম। বিশেষ করে রাতে আলোবিহীন কালীগঞ্জে এখন চোর ডাকাতের ভয়ও বেড়ে গেছে।
টঙ্গী-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া এলাকায় মহাসড়কের পাশে রাজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে গিয়ে দেখা যায়, কোনো কাস্টমার নেই। তিন দিন ধরে কাস্টমার একেবারেই কম।
হোটেল মালিক আক্রাম হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। তাই কাস্টমার আসছে না।
কাপাসিয়া মোড় এলাকার দোকানি আরাফাত হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় দোকান প্রায় বন্ধের উপক্রম। দুর্বাটি মাদরাসার সামনে চায়ের দোকানি ইকবাল জানালেন, বিদ্যুৎ নেই তিন দিন। চাও বানাতে পারছি না, কাস্টমারও আসছে না। সংসার চলবে কি করে।
কালীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার তনিমা আফ্রাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ঝড়ে সমস্যা হয়েছে, আমার গাড়িও রাস্তায় ভেঙে পড়া গাছে আটকে ছিল। কালীগঞ্জের বিদ্যুতের বিষয়ে ডিজিএমকে জিজ্ঞেস করুন।
গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কালীগঞ্জ জোনের ডিজিএম আক্তার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ঝড়ে গাছপালা ভেঙে বিদ্যুতের তার অনেক জায়গায় ছিঁড়ে গেছে। লাইন মেরামতের কাজ চলছে। তবে তিনি তিন দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন কথাটি মানতে নারাজ হয়ে বলেন, কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে, মেরামতের কাজ চলছে, ঠিক হয়ে যাবে।





















