বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পরীক্ষা শেষে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজনৈতিক ভিন্নতাকে দায়ী করলেও অভিযুক্তরা অভিযোগকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের করিম ভবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী হাসিবুল হাসান কৌশিক কৃষি অনুষদের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, আমি দুপুরে পরীক্ষা শেষ করে বের হচ্ছিলাম, তখন আবাসিক ঈশা খাঁ হলের ছাত্রলীগের সোলেমান ইসলাম সানি, মোহাম্মদ মাইন হোসেন, আবরার মুনতাসির মিম, নাইমুর রহমান দিগন্তের নেতৃত্বে আমার ওপর অতর্কিত চড়াও হয়। পরে ৪৫ থেকে ৫০ জন আমাকে ঘিরে মারধর করে বলেও জানান তিনি। ছাত্রদল করার কারণে আমাকে হাতুড়ি, স্টাম্প, রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করা হয়। আমার সাথে তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের পার্থক্য থাকায় আমার ওপর হামলা করে তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিয়ে তিনি হলে বিশ্রামে আছেন।
তবে অভিযুক্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত সুলেমান সানি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, পূর্বের একটি ঘটনার জেরে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
আরেক অভিযুক্ত নাইমুর রহমান দিগন্ত বলেন, তারা কেউ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেন ঘটনার পেছনে ফ্যাকাল্টিভিত্তিক পূর্বের বিরোধের সূত্র থাকতে পারে, অপরাধী যে-ই হোক তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, ইতোমধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্টাফ রিপোর্টার 

























