০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ

 

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদক আবু সালেহ মো. মুসা এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সামিউল হক রনির বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। প্রায় ৮ বছর ৯ মাস পর অভিযোগ প্রমাণিত করতে না পারায় রোববার আদালত মানহানির মামলাটি খারিজ করে দেয়।

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাটি করেছিলেন ময়মনসিংহ নগরের গাঙ্গীনারপাড় এলাকার ক্যালকাটা মুসলিম জুয়েলার্সের অন্যতম সত্ত্বাধীকারী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মালিক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।

মালিক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগে টানা কয়েকটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস। এর প্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মালিক মোহাম্মদ শাহিদুল্লাহ আদালতে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন। মামলায় বিবাদী করা হয় ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদক আবু সালেহ মো. মুসা এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সামিউল হক রনিকে।

মামলার বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মো. হারুন অর রশিদ বলেন, মানহানির অভিযোগে করা মামলাটি নিম্ম আদালত ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর মামলার চার্জ গঠন করে। এরপর চার্জ গঠনের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করা হয়। গেল বছর জেলা ও দায়রা জজ আদালত চার্জ গঠনের আদেশ বাতিল করে মামলাটি শুনানিঅন্তে নিষ্পত্তির আদেশ দেয়। সে প্রেক্ষিতে রোববার ধার্যতারিখে বাদী-বিবাদীর উপস্থিতিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তনয় সাহা শুনানি করেন। বাদী তার অভিযোগ প্রমাণিত করতে না পারায় আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

এ প্রসঙ্গে সম্পাদক আবু সালেহ মো. মুসা বলেন, সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশের পর কেউ সংক্ষুব্ধ হলে প্রেস কাউন্সিলে যেতে পারে। কিন্তু তারা তা না করে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আদালতে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। দীর্ঘদিন হয়রানি শেষে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেওয়ায় আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। বিজ্ঞ আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার কারণে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি বলে মনে করি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ

পোষ্টের সময় : ০৮:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদক আবু সালেহ মো. মুসা এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সামিউল হক রনির বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। প্রায় ৮ বছর ৯ মাস পর অভিযোগ প্রমাণিত করতে না পারায় রোববার আদালত মানহানির মামলাটি খারিজ করে দেয়।

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাটি করেছিলেন ময়মনসিংহ নগরের গাঙ্গীনারপাড় এলাকার ক্যালকাটা মুসলিম জুয়েলার্সের অন্যতম সত্ত্বাধীকারী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মালিক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।

মালিক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগে টানা কয়েকটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস। এর প্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মালিক মোহাম্মদ শাহিদুল্লাহ আদালতে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন। মামলায় বিবাদী করা হয় ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস সম্পাদক আবু সালেহ মো. মুসা এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সামিউল হক রনিকে।

মামলার বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মো. হারুন অর রশিদ বলেন, মানহানির অভিযোগে করা মামলাটি নিম্ম আদালত ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর মামলার চার্জ গঠন করে। এরপর চার্জ গঠনের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করা হয়। গেল বছর জেলা ও দায়রা জজ আদালত চার্জ গঠনের আদেশ বাতিল করে মামলাটি শুনানিঅন্তে নিষ্পত্তির আদেশ দেয়। সে প্রেক্ষিতে রোববার ধার্যতারিখে বাদী-বিবাদীর উপস্থিতিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তনয় সাহা শুনানি করেন। বাদী তার অভিযোগ প্রমাণিত করতে না পারায় আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

এ প্রসঙ্গে সম্পাদক আবু সালেহ মো. মুসা বলেন, সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশের পর কেউ সংক্ষুব্ধ হলে প্রেস কাউন্সিলে যেতে পারে। কিন্তু তারা তা না করে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আদালতে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। দীর্ঘদিন হয়রানি শেষে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেওয়ায় আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। বিজ্ঞ আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার কারণে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি বলে মনে করি।

Share this news as a Photo Card