১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য সংঘর্ষে যুবক নিহত

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নে দুই গ্রামের গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত এবং আরও তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার রাতে নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক মিয়ার গ্রুপ ও থোল্লাকান্দি গ্রামের আরাফাত গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শিপনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, রোববার সকালে তিনি মারা যান। আহতরা হলেন– হোটেলের দুই কর্মচারী মো. ইয়াছিন, নূর আলম এবং এমরান হোসেন মাস্টার। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনা ও র‌্যাব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উভয় গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মনেক ও আরাফাত গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং নিহতের পরিবার মামলা না করলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য সংঘর্ষে যুবক নিহত

পোষ্টের সময় : ০৯:৩৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নে দুই গ্রামের গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত এবং আরও তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার রাতে নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক মিয়ার গ্রুপ ও থোল্লাকান্দি গ্রামের আরাফাত গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শিপনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, রোববার সকালে তিনি মারা যান। আহতরা হলেন– হোটেলের দুই কর্মচারী মো. ইয়াছিন, নূর আলম এবং এমরান হোসেন মাস্টার। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনা ও র‌্যাব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উভয় গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মনেক ও আরাফাত গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং নিহতের পরিবার মামলা না করলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

 

Share this news as a Photo Card