০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মদনে নামে মাত্র কাজ করে প্রকল্পের টাকা হরিলুট

 

নেত্রকোণার মদনে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নে টিআর ও কাবিখা/কাবিটা প্রকল্পের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠে। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ( টিআর) কাবিকা ও খাবিটা কর্মসূচি প্রকল্পের আওয়াতায় উপজেলার ৭নং নায়েকপুর ইউনিয়নে বাশঁরী পাকা রাস্তা হতে মোয়াটি মোড় পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। প্রকল্পের সভাপতি সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য লাকি আক্তার। প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ রেখে নামে মাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাৎ করার পায়ঁতারা করছে। এ নিয়ে এলাকার সচেতন মহল প্রতিবাদ করলেও আর কোন কাজ করবে না বলে জানান প্রকল্পের সাধারণ হেলাল মিয়া। অপরদিকে একই জায়াগায় মোয়াটি মোড় হতে বাস্তা দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ যার বরাদ্দ ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পের সভাপতি এলাই মিয়া ।

এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার প্রকল্প এলাকায় গেলে, বাশঁরী পাকা রাস্তা হতে মোয়াটি মোড় পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট কাজ এক প্রায় ১লাখ ২০ হাজার টাকা এবং মোয়াটি মোড় হতে বাস্তা দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজ করে ১লাখ ৩০হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা । তবে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প এলাকায় বরাদ্দের সাইন বোর্ড থাকার কথা থাকলেও কোন সাইন বোর্ড পাওয়া যায়নি।

 

এ সময় নাম প্রকাশ না করার ইচ্ছুক এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আমরা মাটি দিতে পারি নাই বলে এ কাজটি করে নাই। এখন যেভাবে কাজ করেছে বৃদ্ধ মানুষত দূরের কথা সু¯’ সবল মানুষও এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। এ সড়কে একটি সেতু রয়েছে। সেতুর এ্যাপ্রোচ নেই। এখানেও মাটি ফেলা হয়নি। রাস্তাটি সঠিক পরিদর্শন করে ব্যব¯’া নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের জোড় সুপারিশ করছি।

 

এ নিয়ে বাশঁরী পাকা রাস্তা হতে মোয়াটি মোড় পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট প্রকল্পের সভাপতি লাকী আক্তার জানান, আমি নামে মাত্র সভাপতি আছি। মূল কাজ করছে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক হেলাল মিয়া।

 

মোয়াটি মোড় হতে বাস্তা দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের সভাপতি এলাই মিয়া জানান, আমার প্রকল্পের যতটুকু কাজ দরকার ছিল তা করেছি।

 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা নায়েকপুর ইউপির প্রশাসক মাসুদ করিম সিদ্দিকী বলেন, আমি এখনো দায়িত্ব বুঝে নেয়নি।

 

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, প্রকল্প পরিদর্শন করে শেষ বিল দেয়ার সিন্ধান্ত নেব।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অলিদুজ্জামান জানান, তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

মদনে নামে মাত্র কাজ করে প্রকল্পের টাকা হরিলুট

পোষ্টের সময় : ০৮:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

 

নেত্রকোণার মদনে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নে টিআর ও কাবিখা/কাবিটা প্রকল্পের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠে। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ( টিআর) কাবিকা ও খাবিটা কর্মসূচি প্রকল্পের আওয়াতায় উপজেলার ৭নং নায়েকপুর ইউনিয়নে বাশঁরী পাকা রাস্তা হতে মোয়াটি মোড় পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। প্রকল্পের সভাপতি সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য লাকি আক্তার। প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ রেখে নামে মাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাৎ করার পায়ঁতারা করছে। এ নিয়ে এলাকার সচেতন মহল প্রতিবাদ করলেও আর কোন কাজ করবে না বলে জানান প্রকল্পের সাধারণ হেলাল মিয়া। অপরদিকে একই জায়াগায় মোয়াটি মোড় হতে বাস্তা দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ যার বরাদ্দ ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পের সভাপতি এলাই মিয়া ।

এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার প্রকল্প এলাকায় গেলে, বাশঁরী পাকা রাস্তা হতে মোয়াটি মোড় পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট কাজ এক প্রায় ১লাখ ২০ হাজার টাকা এবং মোয়াটি মোড় হতে বাস্তা দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজ করে ১লাখ ৩০হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা । তবে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প এলাকায় বরাদ্দের সাইন বোর্ড থাকার কথা থাকলেও কোন সাইন বোর্ড পাওয়া যায়নি।

 

এ সময় নাম প্রকাশ না করার ইচ্ছুক এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আমরা মাটি দিতে পারি নাই বলে এ কাজটি করে নাই। এখন যেভাবে কাজ করেছে বৃদ্ধ মানুষত দূরের কথা সু¯’ সবল মানুষও এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। এ সড়কে একটি সেতু রয়েছে। সেতুর এ্যাপ্রোচ নেই। এখানেও মাটি ফেলা হয়নি। রাস্তাটি সঠিক পরিদর্শন করে ব্যব¯’া নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের জোড় সুপারিশ করছি।

 

এ নিয়ে বাশঁরী পাকা রাস্তা হতে মোয়াটি মোড় পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট প্রকল্পের সভাপতি লাকী আক্তার জানান, আমি নামে মাত্র সভাপতি আছি। মূল কাজ করছে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক হেলাল মিয়া।

 

মোয়াটি মোড় হতে বাস্তা দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের সভাপতি এলাই মিয়া জানান, আমার প্রকল্পের যতটুকু কাজ দরকার ছিল তা করেছি।

 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা নায়েকপুর ইউপির প্রশাসক মাসুদ করিম সিদ্দিকী বলেন, আমি এখনো দায়িত্ব বুঝে নেয়নি।

 

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, প্রকল্প পরিদর্শন করে শেষ বিল দেয়ার সিন্ধান্ত নেব।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অলিদুজ্জামান জানান, তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

 

Share this news as a Photo Card