০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফের ভাই রেজাউল আটক

 

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইনের সহোদর ভাই রেজাউল করিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

 

রেজাউল করিম নগরীর আমলাপাড়া এলাকার মো. ইসহাকের ছেলে। তাছাড়া, সে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধার সম্পাদক আশরাফ হোসাইনের সহোদর ভাই রেজাউল করিম। এছাড়াও জেলা পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠানের ভাতিজী জামাই। এখন আওয়ামী লীগের অর্থের যোগানদাতা হিসাবে পরিচিত।

 

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাতে নগরীর কাচারীঘাট এলাকা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি পুলিশ।

 

জেলা গোয়েন্দা শাখা (দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। উর্ব্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

সুত্র জানায়, ওই দুই জনপ্রতিনিধির ক্ষমতা খাঁটিয়ে বেআইনি ভাবে ময়মনসিংহ শহরের দুইটি অর্পিত সম্পত্তি লীজ নিয়েছে। আইনগতভাবে একজন ব্যাক্তি একের অধিক জমি লিজ নিতে পারে না বা লিজ দেয়ার নিয়ম নেই। রেজাউলের বাড়ি জামালপুর জেলায়। সেই সুবাদে এসব জমি লিজ নিতে সে ব্যবহার করেছে জামালপুরের কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক হুইপ মীর্জা আজমের ক্ষমতা।

 

জেলা ও সদর উপজেলার অন্তর্গত৷ টাউন মৌজার (আমলা পাড়া) এসএ ৯১২ খতিয়ানের ৬১৫২ দাগের পুকুর শ্রেনীর ২৩২৫ অযুতাংশ জমির আরওআর রেকর্ডীয় মালিক মৃত গোপাল দাস চৌধুরী। অর্পিত সম্পত্তি ট্রাইব্যুনাল ময়মনসিংহের ৩৯৫/২০১২ নম্বর মামলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গোপাল দাস চৌধুরী বাংলাদেশে মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭০ সনে।

 

ওই জমি ১৯৮৩-৮৪ সনে বেআইনী, অবৈধ ও অন্যায়ভাবে অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করা হয় যাহার নম্বর ৫(ক)৮৩-৮৪। ৫(ক) সরকারি জালিয়াতির উৎকৃষ্ট প্রমান বলে অর্পিত সম্পত্তি বিশেষজ্ঞ গন জানান। কারণ ভিপি সম্পত্তি তালিকাভুক্ত হবার পর সাধারণত নম্বর হয় ১/৭২-৭৩ বা ৩/৬৮-৬৯ বা ৮/৬৬-৬৭। বন্ধনীচিহ্নের মাঝে অক্ষর তখনি দেয়া হয় যখন ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়া হয় বা যথা সময়ের পরে তালিকায় ঢুকানো হয়।

 

এই জমি ভিপি তালিকাভুক্ত করে প্রথমে একসনা লিজ দেয়া হয় তদানিন্তন ফার্স্ট লেডি রওশন এরশাদের ভাতিজা বধু কানিজ ফাতেমার নামে। মূলত এই উদ্দেশ্যেই বেআইনিভাবে উক্ত সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করা হয়েছিলো। কানিজ ফাতেমা লিজ নিয়েছিলো মাছ চাষের জন্য।

 

২০১২ সনের এপ্রিল মাসের চার তারিখে উক্ত সম্পত্তি লিজ নেয়ার জন্য আবেদন করেন রেজাউল করিম। তাঁর সহোদর ভাই আওয়ামী লীগ নেতা ও ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ এর প্রভাব খাঁটিয়ে অসম্ভব দ্রুত গতিতে কানিজ ফাতেমার লিজ বাতিল করিয়ে মাত্র ১২ দিনের মাথায় ১৫/০৪/২০১২ তারিখে নিজ নামে উক্ত সম্পত্তি লিজ দিতে জেলা প্রশাসনকে বাধ্য করে।

 

২০১২ সনে সম্পত্তির মূল মালিক টুলটুল দাস চৌধুরী অর্পিত সম্পত্তি ট্রাইব্যুনালে মামলা করে দুতরফা প্রতিদ্বন্ধীতায় বিজয়ী হন। এই মামলায় রেজাউল করিম পক্ষভুক্ত হবার আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল লুকাস স্ট্যান্ডি না থাকায় তার আবেদন নামঞ্জুর করে। পরবর্তীতে সে উকিল নিয়োগ দেয়ার আবেদন জানালে ট্রাইব্যুনাল তাও নামঞ্জুর করে।

 

মামলায় হেরে যাবার পর ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক অর্পিত সম্পত্তি আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করেন। আপিল ট্রাইব্যুনালেও টুলটুল দাস চৌধুরী বিজয়ী হন, জেলা প্রশাসক হেরে যায়।

 

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ এটর্নি জেনারেল বরাবর হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল/রিট বা অন্য কোন সুযোগ থাকলে সেই ধরনের মামলার দায়ের করার জন্য পত্র লেখেন। উক্ত পত্রের জবাবে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর উইং থেকে জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহকে জানিয়ে দেয়া হয়, অর্পিত সম্পত্তি আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ই চুড়ান্ত এবং আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপিল বা রিট বা অন্য কোন মামলা করার আইনগত সুযোগ নেই।

 

২০১৮ সনে রেজাউল করিম তার ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ, চাচা শ্বশুর ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইউসুফ খান পাঠান ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জস আজমের মাধ্যমে যুবলীগ নেতা ব্যারিষ্টার তাপসকে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে, অনেক তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে একটি রিট মোকদ্দমা দায়ের করে। এর বিরুদ্ধে টুলটুল দাস চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলে, সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি খারিজ করে দিতে চায়। ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নুর তাপসের প্রচন্ড বিরোধিতা ও প্রকাশ্য ক্ষোভের কারণে, সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের আদেশ সমূহ স্থগিত করে ম্যারিড অনুযায়ী শুনানির জন্য হাইকোর্টে ফেরত পাঠান। এভাবেই রেজাউল করিম আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করেছে।

 

অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়েল অনুযায়ী এক ব্যাক্তির নামে একাধিক সম্পত্তি লীজ দেয়ার নিয়ম না থাকলেও রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ শহরের দুইটি জমি লিজ দেয়া হয়েছে। তার নামে লিজ দেয়া অপর সম্পত্তির ঠিকানা মেছুয়া বাজার সংলগ্ন। যা আজাদ সু স্টোরের শো-রুম নামে বহুল পরিচিত।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

চীনে টাইফুন ডলফিনের তাণ্ডব, সরানো হলো ১০ লাখের বেশি মানুষ

ময়মনসিংহে ‘হার ভোট,হার সিট’ ক্যাম্পেইন

09 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফের ভাই রেজাউল আটক

পোষ্টের সময় : ১১:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

 

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইনের সহোদর ভাই রেজাউল করিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

 

রেজাউল করিম নগরীর আমলাপাড়া এলাকার মো. ইসহাকের ছেলে। তাছাড়া, সে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধার সম্পাদক আশরাফ হোসাইনের সহোদর ভাই রেজাউল করিম। এছাড়াও জেলা পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠানের ভাতিজী জামাই। এখন আওয়ামী লীগের অর্থের যোগানদাতা হিসাবে পরিচিত।

 

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাতে নগরীর কাচারীঘাট এলাকা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি পুলিশ।

 

জেলা গোয়েন্দা শাখা (দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। উর্ব্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

সুত্র জানায়, ওই দুই জনপ্রতিনিধির ক্ষমতা খাঁটিয়ে বেআইনি ভাবে ময়মনসিংহ শহরের দুইটি অর্পিত সম্পত্তি লীজ নিয়েছে। আইনগতভাবে একজন ব্যাক্তি একের অধিক জমি লিজ নিতে পারে না বা লিজ দেয়ার নিয়ম নেই। রেজাউলের বাড়ি জামালপুর জেলায়। সেই সুবাদে এসব জমি লিজ নিতে সে ব্যবহার করেছে জামালপুরের কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক হুইপ মীর্জা আজমের ক্ষমতা।

 

জেলা ও সদর উপজেলার অন্তর্গত৷ টাউন মৌজার (আমলা পাড়া) এসএ ৯১২ খতিয়ানের ৬১৫২ দাগের পুকুর শ্রেনীর ২৩২৫ অযুতাংশ জমির আরওআর রেকর্ডীয় মালিক মৃত গোপাল দাস চৌধুরী। অর্পিত সম্পত্তি ট্রাইব্যুনাল ময়মনসিংহের ৩৯৫/২০১২ নম্বর মামলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গোপাল দাস চৌধুরী বাংলাদেশে মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭০ সনে।

 

ওই জমি ১৯৮৩-৮৪ সনে বেআইনী, অবৈধ ও অন্যায়ভাবে অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করা হয় যাহার নম্বর ৫(ক)৮৩-৮৪। ৫(ক) সরকারি জালিয়াতির উৎকৃষ্ট প্রমান বলে অর্পিত সম্পত্তি বিশেষজ্ঞ গন জানান। কারণ ভিপি সম্পত্তি তালিকাভুক্ত হবার পর সাধারণত নম্বর হয় ১/৭২-৭৩ বা ৩/৬৮-৬৯ বা ৮/৬৬-৬৭। বন্ধনীচিহ্নের মাঝে অক্ষর তখনি দেয়া হয় যখন ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়া হয় বা যথা সময়ের পরে তালিকায় ঢুকানো হয়।

 

এই জমি ভিপি তালিকাভুক্ত করে প্রথমে একসনা লিজ দেয়া হয় তদানিন্তন ফার্স্ট লেডি রওশন এরশাদের ভাতিজা বধু কানিজ ফাতেমার নামে। মূলত এই উদ্দেশ্যেই বেআইনিভাবে উক্ত সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করা হয়েছিলো। কানিজ ফাতেমা লিজ নিয়েছিলো মাছ চাষের জন্য।

 

২০১২ সনের এপ্রিল মাসের চার তারিখে উক্ত সম্পত্তি লিজ নেয়ার জন্য আবেদন করেন রেজাউল করিম। তাঁর সহোদর ভাই আওয়ামী লীগ নেতা ও ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ এর প্রভাব খাঁটিয়ে অসম্ভব দ্রুত গতিতে কানিজ ফাতেমার লিজ বাতিল করিয়ে মাত্র ১২ দিনের মাথায় ১৫/০৪/২০১২ তারিখে নিজ নামে উক্ত সম্পত্তি লিজ দিতে জেলা প্রশাসনকে বাধ্য করে।

 

২০১২ সনে সম্পত্তির মূল মালিক টুলটুল দাস চৌধুরী অর্পিত সম্পত্তি ট্রাইব্যুনালে মামলা করে দুতরফা প্রতিদ্বন্ধীতায় বিজয়ী হন। এই মামলায় রেজাউল করিম পক্ষভুক্ত হবার আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল লুকাস স্ট্যান্ডি না থাকায় তার আবেদন নামঞ্জুর করে। পরবর্তীতে সে উকিল নিয়োগ দেয়ার আবেদন জানালে ট্রাইব্যুনাল তাও নামঞ্জুর করে।

 

মামলায় হেরে যাবার পর ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক অর্পিত সম্পত্তি আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করেন। আপিল ট্রাইব্যুনালেও টুলটুল দাস চৌধুরী বিজয়ী হন, জেলা প্রশাসক হেরে যায়।

 

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ এটর্নি জেনারেল বরাবর হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল/রিট বা অন্য কোন সুযোগ থাকলে সেই ধরনের মামলার দায়ের করার জন্য পত্র লেখেন। উক্ত পত্রের জবাবে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর উইং থেকে জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহকে জানিয়ে দেয়া হয়, অর্পিত সম্পত্তি আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ই চুড়ান্ত এবং আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপিল বা রিট বা অন্য কোন মামলা করার আইনগত সুযোগ নেই।

 

২০১৮ সনে রেজাউল করিম তার ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ, চাচা শ্বশুর ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইউসুফ খান পাঠান ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জস আজমের মাধ্যমে যুবলীগ নেতা ব্যারিষ্টার তাপসকে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে, অনেক তথ্য গোপন করে হাইকোর্টে একটি রিট মোকদ্দমা দায়ের করে। এর বিরুদ্ধে টুলটুল দাস চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলে, সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি খারিজ করে দিতে চায়। ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নুর তাপসের প্রচন্ড বিরোধিতা ও প্রকাশ্য ক্ষোভের কারণে, সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের আদেশ সমূহ স্থগিত করে ম্যারিড অনুযায়ী শুনানির জন্য হাইকোর্টে ফেরত পাঠান। এভাবেই রেজাউল করিম আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করেছে।

 

অর্পিত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়েল অনুযায়ী এক ব্যাক্তির নামে একাধিক সম্পত্তি লীজ দেয়ার নিয়ম না থাকলেও রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ শহরের দুইটি জমি লিজ দেয়া হয়েছে। তার নামে লিজ দেয়া অপর সম্পত্তির ঠিকানা মেছুয়া বাজার সংলগ্ন। যা আজাদ সু স্টোরের শো-রুম নামে বহুল পরিচিত।

 

Share this news as a Photo Card