০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫

 

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

 

আজ শনিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাসুমা (৩৮) নামের এক নারী। তিনি স্কুলটির অফিস সহকারী ছিলেন। তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

 

এর আগে সকাল ৯টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় জারিফ নামের এক শিশু। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা।

 

গতকাল শুক্রবার মারা যায় আরও দুই শিক্ষার্থী—দশ বছর বয়সী আয়মান ও তেরো বছর বয়সী মাকিন।

 

বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীন জানিয়েছেন, এখনও কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে কিছু রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠা ১৫ জনকে শনিবার থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

 

এদিকে, আহতদের চিকিৎসায় সিঙ্গাপুর ও চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল বাংলাদেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫

পোষ্টের সময় : ০১:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

 

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

 

আজ শনিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাসুমা (৩৮) নামের এক নারী। তিনি স্কুলটির অফিস সহকারী ছিলেন। তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

 

এর আগে সকাল ৯টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় জারিফ নামের এক শিশু। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা।

 

গতকাল শুক্রবার মারা যায় আরও দুই শিক্ষার্থী—দশ বছর বয়সী আয়মান ও তেরো বছর বয়সী মাকিন।

 

বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীন জানিয়েছেন, এখনও কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে কিছু রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠা ১৫ জনকে শনিবার থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

 

এদিকে, আহতদের চিকিৎসায় সিঙ্গাপুর ও চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল বাংলাদেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

 

Share this news as a Photo Card