ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় জেলহাজত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে মামলা মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে বাদী ও এলাকাবাসির মধ্যে দেখা দিয়েছে আতংক। হুমকির ঘটনায় থানায় মুক্তাগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
মামলার আসামি নুরুল হক ও হোসেন আলীর পরিবারের সকল সদস্যসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন। তাদের বাড়ি মুক্তাগাছা উপজেলার বানিয়াবাড়ি গ্রামে।
বাদীর পরিবার ও এজাহারে জানা যায়, উপজেলার বানিয়াবাড়ি গ্রামে একটি মসজিদের উন্নয়ন তহবিলের টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের বিল্লাল হোসেন ও প্রতিবেশি হোসেন আলীর সাথে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত ২০ মার্চ হোসেন আলীসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা চালায়। এসময় তারা বাড়িতে লুটপাটও করে। হামলায় বিল্লাল হোসেন ও তার স্ত্রী আঞ্জুমানারা বেগম গুরুত্বর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন ২১ মার্চ বাদী হয়ে হোসেন আলীসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে মুক্তাগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় নুরুল হকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় থানা পুলিশ। পরে নুরুল হক জেলহাজত থেকে জামিনে বের হয়ে আসেন। আর জামিনে বের হয়েই তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন। মামলা তুলে নিতে বাদীকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী বিল্লাল হোসেন। এ অবস্থায় মামলার বাদি বিল্লাল হোসেন ও তার পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
মামলার বাদী বিল্লাল হোসেন বলেন, নুরুল হক ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা জামিনে বের হয়ে এসে আমাকে এবং পরিবারকে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নিতেন বলেন। তা না হলে তারা আমাকে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খুন জখমের হুমকি দেন। এ অবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এর প্রতিকার চাই।
মুক্তাগাছা থানার ওসি (তদন্ত) জুলুস খান পাঠান সাংবাদিকদের বলেন, বানিয়াবাড়ি গ্রামে বিল্লাল হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় যে মামলা হয়েছে সেখান থেকে এজাহারভুক্ত দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এখানে জামিনে বের হয়ে কোন আসামী বা অন্য কেউ যদি মামলার বাদিকে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকে সেটাও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















