রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান বিপ্লবের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে, নগরের মতিহার থানার কাজলা বউবাজার এলাকায়।
দুর্বৃত্তরা দেশি অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র, মোটরসাইকেলসহ সবকিছু তছনছ করে ফেলে। পরিবারের সদস্যদের তারা হত্যার হুমকিও দেয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে হামলা হয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
হামলার সময় বাড়িতে থাকা খালেদের মা মোসা. খালেদা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ওরা হঠাৎ করে ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। আমি বাধা দিলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়, এমনকি হাতুড়ি দিয়ে আঘাতও করে।’
এক ঘণ্টা ধরে চলা এই তাণ্ডবে বাড়ির দুইটি রেফ্রিজারেটর, দুইটি এসি, তিনটি টেলিভিশন, ফ্যান, ওভেন, আলমারি, খাটসহ প্রায় সব আসবাব ভাঙচুর করা হয়। নিচতলার গ্যারেজে থাকা তিনটি মোটরসাইকেলেও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। যাওয়ার সময় তারা বাড়ির দেয়ালে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
স্থানীয়রা জানান, রাত ১২টার দিকে কয়েক শত লোক আশপাশে অবস্থান নেয় এবং এলাকার বিদ্যুৎ–সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়। কেউ এগোতে চাইলে হামলাকারীরা ধাওয়া দেয়।
খালেদের বাবা মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘ওদের মুখ বাঁধা ছিল। হাতে রামদা, হাতুড়ি, পিস্তল। আমার ছেলে দল করে—এই অপরাধেই আমাদের পরিবারকে এমন সন্ত্রাসের শিকার হতে হলো।’
খবর পেয়ে পুলিশ ও ডিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মতিহার থানার ওসি আবদুল মালেক জানান, ঘটনাটি রাজনৈতিক কারণে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং পরিবারকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















