২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, যা সমালোচকদের কাছে ‘রাতের ভোট’ নামে পরিচিত, দায়িত্ব পালন করা ৩২ জন সাবেক জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের অবসরের বিষয়টি জানায়।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তা ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে সহায়তার অভিযোগ ওঠে। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা হলেন— পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর এবং রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি চাকরি আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















